মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অটিস্টিক শিশুরা: সায়মা
সায়মা ওয়াজেদ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ০৯:৫১ | আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ১১:১৩
জাতিসংঘের বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের শুভেচ্ছাদূত সায়মা ওয়াজেদ। এ সময় তিনি বলেন, মহামারিকালে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হওয়ার ফলে সারাবিশ্বে অটিজমের শিকার শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘে 'কভিড-১৯ মহামারির সময়ে অটিজম : বৈশ্বিক সাড়াদান ও
পুনরুদ্ধারে প্রযুক্তি কিভাবে সহায়তা করতে পারে' শীর্ষক ভার্চুয়াল সাইড
ইভেন্ট আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘের বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কুয়েত, পোল্যান্ড, কাতার
ও কোরিয়ার স্থায়ী মিশন এবং জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়াবলি বিভাগ ও
অটিজম স্পিক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। খবর বাসসের
সভায় বক্তব্যে কভিড-১৯ মহামারির সময় অটিজম আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ সহায়তা পদক্ষেপ গ্রহণ ও তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বাংলাদেশের উত্তম অনুশীলনগুলো তুলে ধরেন সায়মা ওয়াজেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যমান সামাজিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শক্তিশালী তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো এবং বিস্তৃত কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা অনেক পরিবারকে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করেছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন সমাজে অটিজমের শিকার পরিবারগুলো যেসব সামাজিক
চ্যালেঞ্জ ও নিগ্রহের মুখোমুখি হয়, তার উদাহরণ টেনে সায়মা বলেন, এক্ষেত্রে
বাংলাদেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে টেকসই ও ইতিবাচক
সামাজিক পরিবর্তন আনতে পেরেছে।
চলমান পরিস্থিতিতে অটিজমের ক্ষেত্রে বাড়তি সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার কথা
উল্লেখ করে তিনি বলেন, অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত
ব্যক্তি ও তাদের পরিবার যে ধরনের সামাজিক নিগ্রহের শিকার হয়, তা মোকাবিলাসহ
এ-সংক্রান্ত সামগ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়,
দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে নিয়ে সাত বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে
বাংলাদেশের অটিজমবিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি।
অনুষ্ঠানে অটিজম-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
নেতৃত্ব, প্রতিশ্রুতি এবং গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন বাংলাদেশের স্থায়ী
প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা। তিনি বলেন, 'প্রতিবন্ধিতা ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল
ডিজঅর্ডারের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষায় বাংলাদেশে শক্তিশালী আইন ও বিধি
প্রণয়ন করা হয়েছে এবং বিভিন্নমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব
পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে- প্রতিবন্ধিতা সহায়ক ই-সেবা, রেফারেল সেবা এবং
দেশব্যাপী সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো।'
