ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনারা একবারই আসেন: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনারা একবারই আসেন: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
×

সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা সভা। ছবি: সমকাল

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১:১৬ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১:১৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘অনেক দেশ মিন মিন করে, কথা বলতে সাহস পায় না। শেখ হাসিনা যেটা বোঝেন, তা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন। তাতে কোন দেশ খুশি হলো, কোন দেশ অখুশি হলো, পরিণতি কী হবে কিচ্ছু যায় আসে না। এমন সাহসী নেতা জাতীয় জীবনে বারবার আসে না। নাগরিক হিসেবে বলছি, বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনারা একবারই আসেন। ফলে তিনি যতদিন বেঁচে আছেন তাকে ঘিরেই আমাদের চলতে হবে। তাহলে ত্রিশ লাখ শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।’  

বুধবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জয়যাত্রা: বঙ্গবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে সভায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি নিজামুল হক ভূঁইয়া, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দ প্রিয় বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল।

মন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র ক্ষমতায় যে তিনি (শেখ হাসিনা) খুব সুখকর অবস্থায় আছেন তা কিন্তু নয়। প্রতিনিয়ত ধারাবাহিক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে, সবার জন্য চিকিৎসা নিশ্চিত করতে, সবার ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে, আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত তাকে যুদ্ধ করতে হয়। আজ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্টোরেল, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলি টানেল—সব জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন দৃশ্যমান। বঙ্গবন্ধু যা শুরু করেছিলেন, সেটিই প্রধানমন্ত্রী বিকশিত করছেন।’ 

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘আজ আমরা যে কাজটি শুরু করতে যাই, দেখি বঙ্গবন্ধু সে কাজটির সূচনা করেছিলেন। সেটিকে বিকশিত করেই আমরা আজ বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসেছি, তলাবিহীন ঝুড়িকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছি। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বলেছিলেন। সেই আধুনিক প্রযুক্তি এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। ১৯৭৩ সালে মৎস্য রপ্তানিতে বৃহত্তম খাত হবে। আজ ৫২টি দেশে বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি হচ্ছে।’  

আরও পড়ুন

×