ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

জুলাই সনদ নিয়েও ষড়যন্ত্র চলছে

জুলাই সনদ নিয়েও ষড়যন্ত্র চলছে
×

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬ | ২২:১৩ | আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ | ২২:১৪

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূল অঙ্গীকার `সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার' গত ৫৫ বছরেও অর্জিত হয়নি। এবার জুলাই সনদ নিয়েও একই রকম ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন নেতারা।   

আজ শুক্রবার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র থেকে জুলাই সনদ: প্রতারণার ফাঁদে বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় এ কথা বলেন সংগঠনটির নেতারা। বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন কর্তৃক এ আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। 

সভায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের যে লিখিত অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তা গত ৫৫ বছরেও অর্জিত হয়নি। বরং ১৯৭২ সালের সংবিধানের চতুর ক্ষমতা কাঠামোর মাধ্যমে দেশে একটি নিকৃষ্ট স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। তিনি বর্তমান সংসদকে জনগণের দেওয়া গণভোটের আদেশ মেনে নিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার কার্যকর করার আহ্বান জানান।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগ ও রাজনৈতিক দলগুলোর ‘জুলাই সনদ’ একটি মাইলফলক।

হাসনাত কাইয়ূম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনগণ গণভোটের মাধ্যমে সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও নতুন সংসদ সেই আদেশ অগ্রাহ্য করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। বর্তমান সংসদে গণভোটকে বেআইনি করার যে কোনো অপচেষ্টা জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল।

তিনি আরও বলেন, অবাধ নির্বাচন, ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং অর্থ পাচার ও দুর্নীতি রোধে সংবিধান সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের প্রধান দাবি।

সভায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন। এসময় আরও বক্তব্য দেন, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার, বাকী বিল্লাহ, জয়দ্বীপ ভট্টাচার্য, অ্যাডভোকেট আব্দুল আলীম, মাহবুব আলম চৌধুরী, সেলিম খান ও চারু হক প্রমুখ। 

আরও পড়ুন

×