ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বৃষ্টিতে পশুর হাটে ভোগান্তি

ভিজে নষ্ট খড় ভূসি ঘাস, বিপাকে ক্রেতা-বিক্রেতারা

ভিজে নষ্ট খড় ভূসি ঘাস, বিপাকে ক্রেতা-বিক্রেতারা
×

রাজধানীর একটি অস্থায়ী পশুর হাটে গরুকে ভিজে যাওয়া খড় খাওয়াচ্ছেন বিক্রেতা। ছবি: ফোকাস বাংলা

দ্রোহী তারা

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬ | ১৭:৫৬

রাজধানীর মগবাজার, মধুবাগ ও ওয়্যারলেস এলাকায় দুপুরের আকস্মিক ভারী বৃষ্টিতে কোরবানির পশুর খাবার ও সংশ্লিষ্ট সামগ্রীর অস্থায়ী ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে পানি জমে খড়, ভূসি, ঘাস ও গাছের পাতা ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। একই সঙ্গে কোরবানির মাংস প্রস্তুতের কাজে ব্যবহৃত চাটাই ও মাংস কাটার কাঠও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৃষ্টির পর কয়েকটি অস্থায়ী বিক্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে রাখা পশুখাদ্যের বস্তা পানিতে ভিজে গেছে। অনেক বিক্রেতা তড়িঘড়ি করে পলিথিন ও ত্রিপল দিয়ে মালামাল ঢাকার চেষ্টা করলেও তাতে পুরোপুরি রক্ষা হয়নি। খোলা জায়গায় রাখা খড় ও ঘাস পুরোপুরি ভিজে যাওয়ায় সেগুলোর বড় অংশ বিক্রির অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদুল আজহা সামনে রেখে কয়েক দিন ধরেই তারা পশুখাদ্য ও কোরবানিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সামগ্রী মজুত করেছিলেন। কিন্তু টানা দুই দিনের আকস্মিক বৃষ্টিতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। বৃষ্টির পানির সঙ্গে ড্রেনের ময়লা পানি মিশে যাওয়ায় ভেজা খাবার পশুকে খাওয়ানোও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে তাদের আশঙ্কা।

মগবাজারের এক বিক্রেতা রহমান বলেন, ‘দুপুরের বৃষ্টিতে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পানি উঠে যায়। খড়, ভূসি সব ভিজে গেছে। অনেক মাল ফেলে দিতে হবে। ঈদের আগে এমন ক্ষতি সামাল দেওয়া কঠিন।’

শুধু বিক্রেতারাই নন, ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারাও। পশুর জন্য খাবার কিনতে এসে অনেকেই প্রয়োজনীয় পণ্য পাননি। আবার যেসব পণ্য পাওয়া গেছে, তার বেশির ভাগই ভেজা থাকায় হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন কেউ কেউ। শুকনা খাবারের খোঁজে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরতে দেখা গেছে অনেক ক্রেতাকে।

এদিকে কোরবানির মাংস প্রস্তুতের জন্য বিক্রি হওয়া চাটাই ও মাংস কাটার কাঠও পানিতে ভিজে গেছে। ব্যবসায়ীরা সেগুলো রোদে শুকানোর চেষ্টা করলেও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। কেউ কেউ বৈদ্যুতিক পাখা ও কৃত্রিম বাতাসের সাহায্যে শুকানোর চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন

×