ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর অগ্রিম আয়কর ও অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবি

লাইসেন্সধারী বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর অগ্রিম আয়কর ও অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবি
×

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে লাইসেন্সধারী বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র মালিক সমিতি। ছবি-সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬ | ১৮:১২ | আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬ | ১৯:০৪

অবিলম্বে আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর অগ্রিম আয়কর ও অতিরিক্ত ফি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন 'লাইসেন্সধারী বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র মালিক কল্যাণ সমিতি বাংলাদেশ'র নেতারা।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দেশের বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর প্রস্তাবিত পিস্তল ও রিভলভারের জন্য বার্ষিক এক লাখ টাকা এবং শটগান ও রাইফেলের জন্য বার্ষিক ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর আরোপের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মুখপাত্র মাহবুব এ খোদা জুয়েল বলেন, বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল কোনো দেশেই আগ্নেয়াস্ত্রের ওপর অগ্রিম আয়কর দেওয়ার নজির নেই। এশিয়া মহাদেশের বেশিরভাগ দেশে যেখানে লাইসেন্স নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকার নিচে, সেখানে বাংলাদেশে পিস্তল ও রিভলভারের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং শটগান ও রাইফেলের জন্য ১০ হাজার টাকা-যা ইতিমধ্যে উচ্চমূল্য। বর্তমান প্রস্তাব অনুযায়ী এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা আয়কর আরোপ করা হলে তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের চরম লঙ্ঘন এবং সাধারণ নাগরিকের জন্য অসহনীয়।

তিনি বলেন, করের চাপে সাধারণ মানুষকে অস্ত্র সারেন্ডারে বাধ্য করা হলে সন্ত্রাসীরা অবাধ সুযোগ পাবে, যা দেশে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে।

শুটিং খেলোয়াড়দের অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করে মাহবুব এ খোদা জুয়েল বলেন, পর্যাপ্ত প্রণোদনার অভাবের ওপর এই অতিরিক্ত কর আরোপ হলে মেধাবী শুটাররা খেলাধুলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিন দফা দাবি তোলা হয়। এক. বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সধারীদের ওপর আরোপিত পিস্তল ও রিভলভারের জন্য বার্ষিক এক লাখ টাকা এবং শটগান ও রাইফেলের জন্য ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়করসহ সকল অতিরিক্ত ফি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। দুই. জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যোগ্য নাগরিকদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ ও শিথিল করতে হবে। তিন. লাইসেন্সধারীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে একটি বাস্তবসম্মত, আধুনিক ও নিরাপত্তাবান্ধব ফি কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে। 

আরও পড়ুন

×