ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

স্বচ্ছ ঢাকা সিটি নির্বাচনের আশা ব্রিটিশ হাইকমিশনারের

স্বচ্ছ ঢাকা সিটি নির্বাচনের আশা ব্রিটিশ হাইকমিশনারের
×

ফাইল ছবি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২০ | ১১:১৭

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনার রর্বাট চ্যাটার্টন ডিকসন। ভোটাররা উৎসবমূখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে বলেও আশা করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে হাইকমিশন। ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনার রর্বাট চ্যাটার্টন ডিকসন এ সময়ে ব্রেক্সিটের পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যের পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

ব্রিফিংয়ে সিটি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে রর্বাট ডিকসন বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক মুহূর্ত। প্রায় অর্ধকোটি মানুষ এতে অংশ নেবে। এটি একটি বিশাল গণতান্ত্রিক চর্চা। নির্বাচনটি অবাধ ও স্বচ্ছ হবে বলে আমি বেশ আশাবাদী। মানুষ উৎসবমূখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

তিনি বলেন, আগামী শনিবার পহেলা ফেব্রুয়ারি আমি অন্যান্য কূটনৈতিকদের সঙ্গে বাংলাদেশের এ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন দেখবো।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, আমি চার মেয়র প্রার্থীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও আমার আলোচনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনায় আমি বেশ সন্তুষ্ট।

রর্বাট ডিকসন বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সকল দলেরই সমান সুযোগও গুরুত্বপূর্ণ। তবে গণতন্ত্রে বা নির্বাচনী প্রচারণায় সহিংসতার জায়গা নেই। এর নিন্দা জানাই। মানুষের সঙ্গে কথা বলা ও দেশে কি চলছে তা জানা কূটনৈতিকের দায়িত্ব বলেন জানান তিনি।

ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিফিংয়ে রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ (ব্রেক্সিট) চুক্তি বাস্তবায়ন হলেও বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য লাভের সুযোগ থাকবে। ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করতে চলেছে। তবে ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন হলেও বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য লাভের সুযোগ থাকবে। ব্রেক্সিট হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে বাংলাদেশ যেসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করে থাকে, যুক্তরাজ্যের থেকেও তেমন সুবিধা লাভের সুযোগ রয়েছে। আর এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরো গভীর করার সুযোগ থাকছে।

রবার্ট চ্যাটার্টন জানান, ৩১ জানুয়ারি নর্থ অব ইংল্যান্ডের বিশেষ ক্যাবিনেটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করবেন। এছাড়া ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে বিশেষ ভাষণ দেবেন তিনি।

হাইকমিশনার আরও জানান, ব্রেক্সিট উপলক্ষ্যে যুক্তরাজ্যে ব্রেক্সিট মুদ্রা চালু করা হচ্ছে। ৩১ জানুয়ারি ৩০ লাখ ব্রেক্সিট মুদ্রা ব্যাংক, দোকানপাট ও রেস্টুরেন্টে ছাড়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন হবেন ব্রেক্সিট মুদ্রার প্রথম গ্রাহকদের অন্যতম।

আরও পড়ুন

×