তাহসিফ হত্যা মামলায় দ্বীপের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
বাঁয়ে আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ ও ডানে কে এম তাহসিফ সাউরি
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:৩৮ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:০১
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি (২৭) হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপের (২৩) সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, আলামত উদ্ধার, নিহতের মোটরসাইকেল উদ্ধারের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের স্থান নির্ধারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ।
শনিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাহসিফকে ডেকে নিয়ে বাইরে যান দ্বীপ। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদে একটি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ ভাসছে। পরে সুরতহাল তৈরির সময় নিহতের ট্রাউজারের পকেটে থাকা আইফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও সোর্সের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দ্বীপ তাহসিফকে নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপ জানান, তাহসিফ তার সিনিয়র বড় ভাই। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
পিবিআই ঢাকা উত্তরের হেফাজত থেকে দ্বীপকে নৌপুলিশ গ্রহণ করে। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর সাত দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি পলাতক হয়ে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং মোটরসাইকেলসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধারে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।
- বিষয় :
- মরদেহ উদ্ধার
- গ্রেপ্তার
- রিমান্ড
- বিমানবাহিনী