লজিস্টিকস উন্নয়নে জাতীয় কৌশল নির্ধারণের সুপারিশ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২২ | ১২:০০ | আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২২ | ২২:৫১
পণ্য আমদানি-রপ্তানি খাতে দীর্ঘসূত্রতা, অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এ জন্য লজিস্টিকস উন্নয়নে জাতীয় নীতি বা কৌশল নির্ধারণ করা দরকার। এতে আমদানি ও রপ্তানির জটিলতা কমবে। বুধবার রাজধানীর শেরাটন বনানী হোটেলে বাংলাদেশের লজিস্টিকস খাতের সুবিধা ও সমস্যা নিয়ে অ্যামেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত এক সংলাপে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিপেনন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) স্কুল অব বিজনেসের অধ্যাপক মামুন হাবিব। তিনি বলেন, লজিস্টিকস খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অনেক চ্যালেঞ্জও আছে। বিশেষ করে ঢাকা বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও আইসিডিতে- এ তিনটি জায়গায় পণ্য পরিবহনে অবকাঠামোগত ও পরিবহন সমস্যা এবং পরিচালনায় দক্ষ জনশক্তির যথেষ্ট অভাব রয়েছে।
পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ বলেন, পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশে ব্যয় বেশি। কনটেইনার ও জাহাজের চাপে চট্টগ্রাম বন্দরে সক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। এ বন্দর থেকে এর বেশি সুবিধা প্রত্যাশা করা যাবে না। বড় জাহাজে পণ্য পরিবহনের জন্য বন্দরের সক্ষমতা বর্তমানের চেয়ে ছয় গুণ বাড়াতে হবে। বে-কন্টিনেন্টাল টার্মিনাল খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
অ্যামচেম প্রেসিডেন্ট সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, বন্দরের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে ১০ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি কম হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে কৃষিভিত্তিক পণ্যের ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, দেশে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে। সেখানে উৎপাদনের জন্য প্রচুর কাঁচামাল দরকার হবে। কিন্তু সময়মতো সেগুলো না পেলে কিংবা পরিবহন, বন্দর ও আইসিডি জটিলতায় কাঁচামাল নষ্ট হলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়াডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কবির আহমেদ বলেন, সমুদ্রবন্দর পণ্যবাহী জাহাজের চাপ নিতে পারছে না। জাহাজের জট লেগে যাচ্ছে। এতে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট নাকিব খান বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে হলে অবকাঠামোগত সমস্যা নিরসন করতে হবে।
- বিষয় :
- লজিস্টিকস উন্নয়ন
- পণ্য আমদানি
