ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ই-জিপির আওতায় আসছে সরকারি ক্রয়ের শতভাগ

ই-জিপির আওতায় আসছে সরকারি ক্রয়ের শতভাগ
×

.

সমকাল প্রতিবেদক 

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৫৫

সরকারি ক্রয়ের শতভাগ ইলেকট্রনিক প্রকিউরমেন্টের (ই-জিপি) আওতায় আনা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৬৫ শতাংশ সরকারি ক্রয় ই-জিপি পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়। সরকারি ক্রয়ে আরও বিভিন্ন ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং স্বচ্ছতা-জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য বর্তমান পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা  (পিপিআর) ২০০৮-এ ৯৪টি সংশােধন ও ১২টি নতুন বিধি সংযোজনের প্রস্তাব দিয়ে নতুন একটি বিধিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে অংশীজনের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

পিপিআর ২০২৫-এর খসড়া বিষয়ে গতকাল বুধবার গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি)  সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইএমইডির সচিব মো. কামাল উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএর সিইও  এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ। সংস্থার পরিচালক শাহ ইয়ামিন-উল ইসলাম প্রস্তাবিত পিপিআরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। 

আলোচনায় আইএমইডি সচিব বলেন, সরকারি ক্রয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রস্তাবিত পিপিআর, ২০২৫ খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে ২০০৬ সালের সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের ধারাবাহিকতায়। ওই সংশোধনটি সরকারি ক্রয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর মাধ্যমে আনা হয়, যা গত ৪ মে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। বিদ্যমান পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮-কে সংশোধিত সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিভিন্ন পরামর্শ সভায় অংশীজনের পক্ষ থেকে বিধিতে অনেক বেশি পরিবর্তনের প্রস্তাব আসায় ২০০৮ সালের বিধিমালা সংশোধনের বদলে একটি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন অধিকতর কার্যকর মনে করা হয়েছে। সে কারণেই বিপিপিএ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে।

আরও পড়ুন

×