ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

৯ বছরে পাঁচ লাখ নারীর পাশে ব্র্যাক ব্যাংক ‘তারা’

৯ বছরে পাঁচ লাখ নারীর পাশে ব্র্যাক ব্যাংক ‘তারা’
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬ | ০৭:১১

| প্রিন্ট সংস্করণ

৯ বছরের ব্র্যাক ব্যাংকের উইমেন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘তারা’। দেশের ৫ লাখ নারী এখন এই অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যাংকিং সেবা নিচ্ছেন। কেবল একটি ব্যাংকিং সেবা হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও গত ৯ বছরে ‘তারা’ হয়ে উঠেছে একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম। বর্তমানে দেশের ব্যাংক খাতে নারীদের রিটেইল ডিপোজিট পোর্টফোলিওর প্রায় ২৫ শতাংশই আছে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘তারা’ সেগমেন্টে। 
গতকাল ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ২০১৭ সালের ৪ মে যাত্রা শুরু করা ‘তারা’র মূল দর্শন ছিল রিটেইল থেকে এসএমই, প্রতিটি ধাপে নারীর আর্থিক যাত্রায় পাশে থাকা। ব্যাংকটির এই বিশেষায়িত সেবাটি মূলত দুটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ‘তারা রিটেইল’ এবং ‘তারা এসএমই’। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে নিজের ব্যবসাকে সম্প্রসারণসহ নানা ক্ষেত্রেই নারীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে ‘তারা’। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্মজীবী নারী, গৃহিণী, শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিক–সব নারীর জন্য দেশের আটটি বিভাগের ‘তারা রিটেইল’ সাজিয়েছে আলাদা আলাদা ব্যাংকিং সেবা। বর্তমানে ৩ লাখ ৫০ হাজার নারী গ্রাহকের মোট ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি ডিপোজিট রয়েছে।

গত ৯ বছরে তারার গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে ৮০ গুণ এবং ডিপোজিটের পরিমাণ বেড়েছে ৬০ গুণেরও বেশি। বিশেষ করে হোমমেকার্স অ্যাকাউন্ট গৃহিণীদের জন্য আয়ের প্রমাণের বাধা দূর করেছে এবং এখানকার ৯৮ শতাংশ গ্রাহককেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে (ইকেওয়াইসি) অনবোর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ভার্চুয়াল সেভিংস অ্যাকাউন্ট ও ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আধুনিক ব্যাংকিং পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে। 
এক লাখ ২৮ হাজারেরও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে সেবা দিচ্ছে ‘তারা এসএমই’। এখানে ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা এবং ডিপোজিটের পরিমাণ ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে ডিপোজিটে শুধু গত এক বছরেই ৭২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) হার মাত্র ১.১৪ শতাংশ।

আরও পড়ুন

×