ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করবে স্টক এক্সচেঞ্জ

সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করবে স্টক এক্সচেঞ্জ
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৩৩

| প্রিন্ট সংস্করণ

সার্কিট ব্রেকার বা নির্দিষ্ট দিনে কোনো শেয়ারের দর ওঠানামার সীমা নির্ধারণ করার ক্ষমতা স্টক এক্সচেঞ্জকে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ১৭ জুন স্ট্যান্ডার্ড সার্কিট ব্রোকার বহাল করে বিএসইসি ইতোপূর্বে যে আদেশ জারি করেছিল তা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। 
গত মঙ্গলবার জরুরি কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। গতকাল বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। বেমেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন ছাড়া নগদ লভ্যাংশের বদলে ট্রাস্টিকে পুনর্বিনিয়োগ ইউনিট প্রদানের ক্ষমতা দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সার্কিট ব্রেকার কত হবে তা স্টক এক্সচেঞ্জের ১৯৯৯ সালের অটোমেটেড ট্রেডিং রেগুলেশন্সের ১৮ ধারায় স্পষ্ট করা আছে। এ প্রবিধান অনুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদকে বাজারের বিভিন্ন অপারেশনাল ও ট্রেডিং-সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ পরিমাপ নির্ধারণ ও সময়ে সময় পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– সার্কিট ব্রেকার বা কোনো শেয়ার বা কোনো সিকিউরিটির দাম দৈনিক সর্বোচ্চ ওঠানামার সীমা নির্ধারণ। সেই সঙ্গে আগ্রাসী কেনাবেচার আদেশে দর পরিবর্তন সীমা এবং মার্কেট প্রোটেকশন পার্সেন্টেজ নির্ধারণ করা, যাতে বাজারমূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক বা অযৌক্তিক দামে কেনাবেচা না হয়। এ ছাড়া রয়েছে কত সময় পরপর বাজার সূচক পুনর্গণনা ও প্রকাশ করা হবে তা ঠিক করা, ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারণের সময়সীমা ও কতটি সর্বশেষ ট্রেড বিবেচনায় নেওয়া হবে তা ঠিক করা, ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ ব্লক সাইজ, অর্থাৎ পাবলিক অর্ডার বা স্পট অর্ডারের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কত লটের অর্ডার দেওয়া যাবে তা ঠিক করা।

এ বিধানের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে স্টক এক্সচেঞ্জকে যে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল সরাসরি বাজারের হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে খায়রুল ও শিবলী কমিশন এ ক্ষমতা কমিশনের হাতে নিয়ে আসে। নতুন এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্টক এক্সচেঞ্জকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম। তিনি সমকালকে বলেন, বাজারের সক্ষমতা বাড়াতে স্টক এক্সচেঞ্জের কাজ এক্সচেঞ্জকে করতে দিতে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বেমেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে নগদ লভ্যাংশের বদলে পুনর্বিনিয়োগ ইউনিট দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাস্টিকে দেওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, নগদ লভ্যাংশের ক্ষেত্রে উৎসে ১৫ শতাংশ কর কাটা হয়। পুনর্বিনিয়োগ ইউনিট দেওয়া হলে এ কর লাগবে না। বরং ইউনিটহোল্ডার চাইলে যখন ইচ্ছা সম্পদমূল্যে ফান্ড ইউনিট বিক্রি করতে পারেন। এতে তাদের ব্যাপক অর্থ সাশ্রয় হবে।

আরও পড়ুন

×