চিঠিপত্র
ফাইল ছবি
--
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২০ | ১৭:২৪
মাদকমুক্ত সমাজ চাই
মাদক আমাদের সমাজকে গ্রাস করছে। যতই দিন যাচ্ছে ভয়াবহতা ততই বাড়ছে। উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত, উচ্চশিক্ষিত, স্বল্প শিক্ষিত, অশিক্ষিত, কিশোর-যুবকসহ সব বয়সের মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদকের বিষাক্ত ছোবলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তারুণ্যের শক্তি ও অমিত সম্ভাবনা। এই মরণ নেশার বিস্তারে সমাজে একদিকে বাড়ছে অপরাধ, অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে সামাজিক শৃঙ্খলা। এ ছাড়া, মাদক সেবনের ফলে নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক রোগে ভুগছে অনেকেই। আমরা যদি এখনই মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিতে পারি তাহলে আগামীতে এর পরিণাম হবে আরও ভয়াবহ। তাই আসুন মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি, মাদককে না বলি, মাদককে ঘৃণা করি, দেশের সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি।
আল-আমিন আহমেদ
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ
এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করুন
বাসাবাড়ির রান্না ও হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। দেশে এ গ্যাসের বার্ষিক মোট প্রায় চাহিদা ১০ লাখ টন। এর মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরবরাহ করে মাত্র ১৬ হাজার টন। অবশিষ্ট গ্যাসের জোগানদাতা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু এলপিজির মূল্য নির্ধারণ না করা এবং সিলিন্ডারের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লেখা না থাকার সুযোগে স্থানীয় বিক্রেতারা নানা কারণ দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অধিক মূল্য গ্রহণ করছে। মূলত এ-সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় সরবরাহকারীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ক্রেতাসাধারণ। বিপিসি কর্তৃক সরকারের নিজস্ব উৎপাদিত সাড়ে ১২ কেজির এলপিজির সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য ৬০০ টাকা হলেও বাজারে অন্যান্য কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায়। সিলিন্ডারের গায়ে মূল্য লেখা না থাকায় গ্রাহকরা মাত্রাতিরিক্ত দাম দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই ভোক্তাস্বার্থ বিবেচনায় এলপিজির ন্যায্য দাম নির্ধারণ এবং সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লেখা নিশ্চিতে সরকারের আশু পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।
আবু ফারুক
সদর, বান্দরবান
- বিষয় :
- চিঠিপত্র