ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বেকারত্বের যাতনা আর কতকাল

বেকারত্বের যাতনা আর কতকাল
×

ফাইল ছবি

সুমাইয়া আক্তার সামিরা

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৩ | ১৮:০০

স্মার্ট দেশ গড়তে  চারটি স্তম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছে– স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সমাজ, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সরকার। একটি ঘর নির্মাণে চারটি খুঁটি প্রয়োজন। এর মধ্যে একটি খুঁটি নড়বড়ে হলেও ঘরটি পূর্ণাঙ্গভাবে স্থাপন করা সম্ভব নয়, তেমনি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের চারটি স্তম্ভের একটিও যদি পরিপূর্ণতা না পায়, তবে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হবে। চারটি স্তম্ভের প্রতিটির ক্ষেত্রে শিক্ষিত ও দক্ষ জনগণ প্রয়োজন। বেকারত্বের অভিশাপ দেশকে স্মার্ট করতে প্রতি ধাপেই বাধা দিচ্ছে।

প্রতি বছর প্রায় চার লাখ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী চাকরির বাজারে প্রবেশ করেন। সে অনুপাতে চাকরি না থাকায় জ্যামিতিক হারে বেড়ে চলেছে বেকারত্ব। স্মার্ট বাংলাদেশের প্রথম ও পূর্বশর্ত স্মার্ট সিটিজেন। কিন্তু দেশ এই বেকারত্বের কবলে থেকে কখনোই স্মার্ট সিটিজেন সৃষ্টি করতে পারবে না। স্মার্ট হতে হলে জনগণকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ক্যারিয়ারের প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী ১৫-২০ বছর পড়াশোনা করে এক পাতার একটি সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে মনে করেন, এই সনদ হয়তো তাঁকে সফলতা এনে দেবে। কিন্তু পরিস্থিতি ভিন্ন। যখন তিনি বাস্তবতার কঠিন পথে নামেন, তখন অনুধাবন করেন, এই সনদের মূল্য নেই বললেই চলে। কারণ চারদিকে এমন ডিগ্রিধারী মানুষের ছড়াছড়ি। এতে লাখ লাখ শিক্ষিত তরুণ হতাশার চোরাবালিতে আটকে যান।

একজন শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করার পর দেখা যায়, তিনি আসলে কোনো কাজেই পারদর্শী নন। তাঁর শিক্ষিত হওয়ার একমাত্র প্রমাণ সনদপত্র, যা বর্তমান সৃজনশীলতার যুগে তেমন কার্যকরী নয়। ফলে আমাদের সার্টিফিকেট পোড়ানোর মতো ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমাদের উচিত
শিক্ষিত তরুণ সমাজকে যে কোনো কাজে উৎসাহিত করা।

শিক্ষার্থী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ

আরও পড়ুন

×