ফরিদা পারভীনের কবর প্রস্তুত, যা বললেন গোরস্থানের খাদেম
ছবি-সংগৃহীত
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৬:০৮ | আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৮:০৮
দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগভোগের পর শনিবার রাতে মারা যান লোকসংগীতের বরেণ্য শিল্পী ফরিদা পারভীন। স্বামী এবং চার সন্তান রেখে গেছেন তিনি। শিল্পীর পরিবারের পক্ষ থেকে শুরুতে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের কথা বলা হলেও পারে জানানো হয়, নিজ শহর কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি। সে অনুযায়ী দাফন করার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা নেয় ফরিদা পারভীনের পরিবার।
রোববার দুপুর থেকে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে কবর খোঁড়া কাজ চলছে বলে জানান পৌর গোরস্থানের কর্মকর্তারা। তারা জানান, আবদুর রাজ্জাক নামে ফরিদা পারভীনের এক আত্মীয় কবর খোঁড়ার জন্য বলেছেন। সেজন্য গোরস্থানে শিল্পীর বাবা-মায়ের কবরে দাফনের জন্য খোঁড়া হচ্ছে। বিকেলের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে। সন্ধ্যার দিকে মরদেহ পৌঁছার পর দাফন হতে পারে।
পৌর গোরস্থানের খাদেম নূর ইসলাম বলেন, ‘আমি দীর্ঘ ৫৪ বছর ধরে এই গোরস্থানে খাদেমের দায়িত্বে আছি। ফরিদা পারভীনের পরিবারের সঙ্গে আমার ভালো সখ্যতা। ফরিদার বাবা দেলোয়ার হোসেন ১৯৯৬ সালে মারা যান, তাকে এই গোরস্থানে দাফনের জন্য কবর খুঁড়েছিলাম। এরপর তার মা রৌফা বেগম মারা যান। তাকেও একই কবরে দাফন করেছিলাম। আজ ফরিদার লাশ আসছে। তাকেও একই কবরে শায়িত করা হবে। এজন্য কবর প্রস্তুত করা হচ্ছে।’
সরেজমিন বেলা একটার দিকে কুষ্টিয়া পৌরগোরস্থানে গিয়ে দেখা যায়, দুজন ব্যক্তি কবর খোঁড়ার কাজ করছেন। পাশে গোরস্থানের খাদেম নূর ইসলাম দাঁড়িয়ে আছেন। কবরটির চারপাশ দেয়াল ঘেরা। একপাশে নামফলকে লেখা ‘মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, পিটিআই রোড, কুষ্টিয়া। মৃত্যু: ১৩ এপ্রিল ১৯৯৬ সন।’
১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম। চিকিৎসক বাবার চাকরির (বদলি) সুবাদে বিভিন্ন জায়গা যেতে হয়েছে। বাবা কুষ্টিয়ায় অবসর নিয়েছেন, পরে ওখানেই স্থায়ী হয়েছেন এই শিল্পী।
- বিষয় :
- ফরিদা পারভীন
- সংগীতশিল্পী
- দাফন
