ঢাকা রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ভারতে করোনা আক্রান্ত ১২ হাজার, মৃত ৪১৪

ভারতে করোনা আক্রান্ত ১২ হাজার, মৃত ৪১৪
×

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২০ | ০০:১৩ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

ভারতে একের পর এক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে করোনাভাইরাস। দেশটিতে বৃহস্পতিবার আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৭ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মারা গেলেন ৪১৪ জন। অন্যদিকে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৩৮০ জন। ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে দেশের ৬৪০টি জেলার মধ্যে ১৭০টি জেলাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ৩ মে পর্যন্ত।  খবর এনডিটিভির।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের ৮০ শতাংশ সংক্রমিত জেলা বা শহরকে ‘হটস্পট এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব জায়গায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে। অর্থাৎ ৪ দিনের কম সময়ে দ্বিগুণ হয়েছে সংক্রমণের হার। এরমধ্যে রয়েছে ৬টি মেট্রো  শহর যথা দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ। ‘অতি সংক্রমিত’ এলাকার তালিকায় রয়েছে মোট ১২৩টি জেলা, তার মধ্যে দিল্লির ৯টি জেলা রয়েছে। 

কেন্দ্রীয় সরকার সব রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে সংক্রমণ ওই জেলাগুলোর বাইরে না ছড়াতে পারে। এসব জেলায় কেবল করোনা সন্দেহভাজনদেরই নয়, ইনফ্লুয়েঞ্জার চিহ্ন থাকা ব্যক্তি কিংবা কারও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকলে তাদেরও করোনা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হটস্পটগুলোতে এ বিধিনিষেধ জারি থাকবে, যতদিন না সব রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন কিংবা নতুন করে কেউ সংক্রমিত না হচ্ছেন। 

পাশাপাশি রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোথায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে, সে ব্যাপারে একটি নিয়মিত রিপোর্ট রাখতে। এর উপর ভিত্তি করেই হটস্পটের তালিকা বদল করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩ মে পর্যন্ত গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালু হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। পাশাপাশি লকডাউন চলাকালীন যে কোনও ধরণের জনসমাগম পুরোপুরি নিষিদ্ধ থাকবে। পুরোপুরি বন্ধ থাকবে বিমান, রেল ও সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বড় শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম। লকডাউন চলা পর্যন্ত যে কোনও ধরণের সামাজিক, রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। বন্ধ থাকবে ধর্মীয় স্থানগুলোও।

আরও পড়ুন

×