ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ভারতে একদিনেই শনাক্ত ৫ হাজার, মৃত্যু ১২২ জনের

ভারতে একদিনেই শনাক্ত ৫ হাজার, মৃত্যু ১২২ জনের
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২০ | ০০:৪০ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০

ভারতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। রোববার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার পেরিয়ে গেছে।  দেশটিতে মোট মারা গেছেন প্রায় তিন হাজার মানুষ। মূলত লকডাউনের বিধিনিষেধ শিথিল করতেই দেশটিতে ব্যাপক হারে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ, যা ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফের লকডাউন কঠোর করার চিন্তা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রোববার সকালের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৯৮৭ জন করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এটি এ পর্যন্ত  একদিনে শনাক্তের রেকর্ড। এ নিয়ে ভারতে মোট শনাক্ত হয়েছে মোট ৯০ হাজার ৯২৭ জন।  আর মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৮৭২ জনের। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ১২২ জন। এই সংখ্যাটাও গত কয়েকদিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে এখনও চিকিৎসাধীন ৫৩ হাজার ৯৪৬ জন। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩৪ হাজার ১০৯ জন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট আক্রান্তের এক-তৃতীয়াংশ মহারাষ্ট্র রাজ্যের। শনিবার ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে নতুন আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬০৬ জন। এতে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার পেরিয়ে গেছে।  শুধু মুম্বাই শহরে একদিনে ৮৮৪ জন আক্রান্ত হয়ে মোট সংখ্যা দাড়িয়েছে সাড়ে ১৮ হাজারে।

পশ্চিমবঙ্গেও শনিবার পর্যন্ত ২ হাজার ৫৭৬ জনের শরীরে করোনার জীবাণু মিলেছে। মৃত্যু হয়েছে ১৬০ জনের।

দিল্লিতে একদিনে নতুন ৪০০ জন আক্রান্ত হয়ে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৯ হাজারে। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১২৯ জন। এছাড়া গুজরাট রাজ্যে শনিবার একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৩৪০ জন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, শহরের জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে করোনার সংক্রমণ বেশি ঘটছে। এসব এলাকায় ছোট্ট আবাসনে অতিরিক্ত মানুষ বিশেষ করে অভিবাসী শ্রমিক, দুর্বল স্যানিটেশন, নিরাপদ পানির অভাব, স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা ইত্যাদি কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, লকডাউন শিথিলের কারণেই করোনার সংক্রমণ ফের বেড়ে গেছে।

আরও পড়ুন

×