করোনা নির্মূলে গুচ্ছ সংক্রমণ রোধে গুরুত্ব ভারতের
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২০ | ০১:৩৮ | আপডেট: ১৭ মে ২০২০ | ০১:৪৬
একটি গাণিতিক মডেলের বরাত দিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, নতুন করোনাভাইরাস সম্ভবত নির্মূল করা সম্ভব। তবে মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ ঠেকানো বন্ধ করা না গেলে সেটি হয়তো সম্ভব হবে না। এ কারণে গুচ্ছ (ক্লাস্টার) সংক্রমণ রোধের মাধ্যমে করোনাভাইরাস নির্মূলের পরিকল্পনা করেছে দেশটির সরকার। রোববার এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের স্বীকৃত কোনো ওষুধ বা টিকা নেই। তবে চিকিৎসকদের ক্ষেত্রবিশেষে ক্লোরোকুইনের সঙ্গে কেমোপ্রফিলাক্সিস ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
গুচ্ছ সংক্রমণ রোধের কৌশলটি হলো- কোনো অঞ্চলে কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একেবারে প্রাথমিক স্তরেই ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না দেওয়া। অর্থাৎ সংক্রমণের সম্ভাবনা শুরুতেই রোধ করে ফেলা।
এই কাজে ন্যাশনাল ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি (এনসিএমসি) ও কমিটি অব সেক্রেটারিয়েট সক্রিয় ভ’মিকা পালন করবে। তবে সব পক্ষের সঙ্গে মূল সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবে এনসিএমসি।
গুচ্ছ সংক্রমণ রোধে বেশ কয়েকটি ধাপে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংক্রমিত এলাকায় কেউ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে হলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া বড় একটি অঞ্চলকে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর লকডাউনের আওতায় আনার কথাও বলা হয়েছে।
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এতে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাদের মধ্যে মারা গেছে প্রায় তিন হাজার মানুষ।