খার্গ দ্বীপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কি ফন্দি এঁটে ধোঁকা দিচ্ছে?
ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি/ ইলাস্ট্রেশন: সমকাল
বিবিসি
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬ | ১৮:৪০ | আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ | ১৮:৪১
ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের হুমকি নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। সঙ্গে এ প্রশ্নও উঠছে- এ ধরনের হুমকি কি ফন্দি এঁটে ধোঁকা দেওয়ার অংশ?
ইরানের কাছে দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব থাকা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তাদের তেলকেন্দ্রিক রাজস্বের ৯০ শতাংশ এই দ্বীপের ওপর নির্ভরশীল। ইরান দাবি করে, গ্রাহকদের কাছে তেল পৌঁছানোর বিকল্প পথ তাদের আছে। কিন্তু এই দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ হারানো তাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে আরও কিছু দ্বীপ আছে যা যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আব্বাসের অদূরের লারাক নামের দ্বীপটি ঠিক হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত। বর্তমানে ইরান প্রতিটি তেলের ট্যাঙ্কারকে এই দ্বীপের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তল্লাশির জন্য বাধ্য করছে। খবর ছড়িয়েছে, প্রতিটি জাহাজ থেকে তারা ২ মিলিয়ন ডলার আদায় করছে।
এরপর আছে কেশম দ্বীপ। সেখানে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটির অবস্থান বলে ধারণা করা হয়। আরও আছে- আবু মুসা, গ্রেটার তুনব ও লেসার তুনব দ্বীপ। এগুলোর মালিকানা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বিরোধ থাকলেও বর্তমানে ইরানই সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।
পারস্য উপসাগরের এই দ্বীপগুলো ইরানের জন্য একটি সুরক্ষাকবচ তৈরি করেছে। জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারির মাধ্যমে দ্বীপগুলো তেহরানকে ভৌগোলিক সুবিধা দিচ্ছে।
