ভূপাতিত এফ-১৫ সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে, ক্রুকে খুঁজতে কারা আসছে
বিবিসির ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি
বিবিসি
প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ | ১৪:১২
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ইরানে ভূপাতিত যুদ্ধবিমানটির একজন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য ক্রুকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে।
বিমানটির দ্বিতীয় ক্রুর কী হয়েছে- তা এখনো অজানা।
বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজ দুজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে অনুসন্ধান অভিযান এখনও চলছে বলে জানিয়েছে।
তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধারকারী দলে দুটি হেলিকপ্টার এবং একটি এ-১০ ওয়ার্থগ যুদ্ধবিমান ছিল।
ওই খবর অনুযায়ী এফ-১৫ থেকে উদ্ধার করা পাইলটকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার ছোট অস্ত্রের গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়, এতে ভেতরে থাকা ক্রুরা আহত হয়েছেন। যদিও হেলিকপ্টারটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
সিবিএস বলছে, এ-১০ আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পর পাইলট পারস্য উপসাগরের ওপর থাকার সময় বেরিয়ে আসেন এবং পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, তারা একটি এ-১০ যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত করেছে। যদিও সিবিএস যেই বিমানের কথা বলেছে; এটিই সেটি কি-না তা পরিষ্কার নয়।
যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, খুজেস্তান প্রদেশে একটি মার্কিন বিমান এবং দুটি হেলিকপ্টার যুদ্ধবিমানের ক্রুদের খোঁজ করছে।
এছাড়াও তল্লাশি অভিযান চলাকালে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ওই এলাকায় হামলা স্থগিত রেখেছে বলে খবর এসেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এনবিসিকে বলেন, যুদ্ধবিমানে হামলা ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না।
নিখোঁজ ক্রুকে খুঁজে পেতে কারা আসছে
ইরানে নিখোঁজ মার্কিন যুদ্ধবিমানের ক্রু সদস্যকে খুঁজে পেতে বিশেষজ্ঞ মার্কিন যুদ্ধকালীন অনুসন্ধান ও উদ্ধার ইউনিটগুলো ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার ব্যবহার করে এলাকা চষে বেড়াবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিমানবাহিনীর প্যারারেস্কিউ জাম্পারদের এক সাবেক কমান্ডার।
বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই সাবেক কমান্ডার একথা বলেছেন। তিনি বলেন, যদি উদ্ধার লক্ষ্যমাত্রা এমন এলাকায় থাকে যেখানে হেলিকপ্টার পৌঁছাতে পারে না, তাহলে এসি-১৩০ গানশিপ থেকে স্কোয়াডের সদস্যরা নেমে স্থলপথে উদ্ধার অভিযান চালাবে।
মাটিতে নামার পর প্যারারেস্কিউ জাম্পারদের লক্ষ্য থাকে নিখোঁজ ক্রু সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা। একইসঙ্গে প্রয়োজন হলে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া, শত্রুকে এড়িয়ে যাওয়া বা প্রতিরোধ করা এবং এমন একটি স্থানে পৌঁছানো যেখান থেকে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
কমান্ডার বলেন, এই প্যারারেস্কিউ সদস্যদের বিমানবাহিনীর ‘সুইস আর্মি নাইফ’ বলা হয়। তাদের কাজকে ‘ভয়াবহ এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলা হলেও কম বলা হবে বলে জানান তিনি।
- বিষয় :
- ইরান
- যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত
- যুদ্ধবিমান
