ভূমিকম্পের আগে সতর্ক করেছে গুগল
ছবি-সংগৃহীত
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬ | ১২:২৯
ভূমিকম্পের ঠিক আগমুহূর্তে ভেনেজুয়েলার লাখ লাখ মানুষ তাদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে একটি সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে এই সতর্কবার্তাটি এসেছিল। তবে ওই কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানই বিশ্বজুড়ে একটি প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে– প্রকৃতি যখন কোনো আগাম আভাস ছাড়াই আঘাত হানে, তখন প্রযুক্তি কি মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করতে পারে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর উত্তর হলো– হ্যাঁ, পারে। তবে এর পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা রয়েছে। গুগল ভূমিকম্পের কোনো পূর্বাভাস দেয়নি। বরং, গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ভূমিকম্প সতর্কতা ব্যবস্থা প্রাথমিক ভূকম্পন শনাক্ত করে এবং আরও বিধ্বংসী কম্পন কাছাকাছি ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর আগেই তাদের কাছে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেয়। এই প্রযুক্তিটি মোশন সেন্সরযুক্ত কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ওপর নির্ভর করে, যা মাটির সামান্য নড়াচড়াও শনাক্ত করতে পারে। এইচআর আনেক্সির বটস ডট এআইয়ের পরিচালক নিখার অরোরা বলেন, ভেনেজুয়েলার এই ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছে, ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা কতটা উন্নত হয়েছে। অনেকে যেমনটা ভাবছেন, বিষয়টি তেমন নয়।
শুধু ভূমিকম্প নয়, অন্যান্য দুর্যোগেও কার্যকর
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেনেজুয়েলার এই অভিজ্ঞতার গুরুত্ব কেবল ভূমিকম্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এনভাইরোকেয়ার ফাউন্ডেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা হৃষিত পানথ্রি বলেন, এই ঘটনা তুলে ধরছে, প্রযুক্তি কীভাবে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতিকে শক্তিশালী এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে।
উদ্ধারকাজে প্রযুক্তির ব্যবহার
ভেনেজুয়েলার এই সতর্কবার্তা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ঘটতে থাকা একটি বড় পরিবর্তনের কথা মনে করিয়ে দেয়। কেবল ঐতিহ্যগত মনিটরিং স্টেশনগুলোর ওপর নির্ভর না করে, কর্তৃপক্ষ এবং প্রযুক্তি সংস্থাগুলো এখন সাড়া দেওয়ার সময় কমিয়ে আনতে ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইস এবং ডেটা নেটওয়ার্কে ঝুঁকছে। খবর এনডিটিভির।
- বিষয় :
- ভেনেজুয়েলা
- ভূমিকম্প
