ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরের যুদ্ধে আরও ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

পরের যুদ্ধে আরও ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
×

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সদস্যরা। ফাইল ছবি: এএফপি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬ | ২০:২৭

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, আবার যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে অতীতের তুলনায় তাদের অস্ত্র সব দিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে। এই পার্থক্য ওয়ারহেডের প্রজন্ম, নিখুঁত আঘাত, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা কিংবা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হতে পারে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, সব ধরনের সামরিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে তারা প্রতিদিন অগ্রগতি অর্জন করছেন। এমন অস্ত্র তৈরি করা হচ্ছে যা আরও নিখুঁত, ধ্বংসাত্মক ও প্রযুক্তিনির্ভর।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে গত মাসের শেষ দিকে সবশেষ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাত হয়। এরপর তেহরানের বিরুদ্ধে একাধিকবার কঠোর পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া এ যাবৎকালের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ চালু করতে যাচ্ছেন। এটি হবে অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও অবরোধ। যেসব দেশ ইরানের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি কোনো সংস্থাকে সহযোগিতা করবে, তারা ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখোমুখি হবে।

বৃহস্পতিবার এর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক্সে দেওয়া পোস্টে আরাঘচি লিখেছেন, ‘তথাকথিত ইকোনমিক ডি-ডে হলো, আমেরিকার নজিরবিহীন ঋণ ও আকাশচুম্বী সুদের খরচ থেকে অন্যদিকে নজর সরানোর একটি কৌশল। এই ব্যর্থ নীতি আরও পরাজয় ডেকে আনবে।’

ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ হিসেবেও উল্লেখ করেন আরাঘচি। বলেন, এটি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য একটি হুমকি।

আরও পড়ুন

×