ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজারহাটে তিস্তার ক্রসবাঁধে তীব্র স্রোতে ৪০ মিটার ধস, ঝুঁকিতে ৬ গ্রাম

রাজারহাটে তিস্তার ক্রসবাঁধে তীব্র স্রোতে ৪০ মিটার ধস, ঝুঁকিতে ৬ গ্রাম
×

ছবি- সমকাল

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৪৫

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে একটি ক্রসবাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে উপজেলার অন্তত ছয়টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। একই সঙ্গে হুমকির মুখে রয়েছে স্থানীয় পাঁচটি বাজার।

জানা যায়, বুড়িরহাট এলাকায় ক্রসবাঁধের উত্তর অংশে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাঁধের বিশাল একটি অংশ ধসে তিস্তা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। বাঁধটি পুরোপুরি ভেঙে গেলে বড়দরগা, বুড়িরহাট, রামহরি, চতুরা, কালিরমেলা ও ডাংরারহাট গ্রামের বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এবং অন্তত পাঁচটি বাজার প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর ধারণা, নদীর তলদেশে তীব্র স্রোতের কারণে বালু ও মাটি সরে গিয়ে এ ভাঙন ও ধসের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ভাঙন বন্ধ থাকলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। 
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৩০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ বলেন, প্রতি দুই-এক বছর পরপর নদীভাঙনে বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন জিও ব্যাগ দিয়ে সাময়িকভাবে সংস্কার করা হয়। কিন্তু ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী সমাধান না হলে এ সমস্যা চলতেই থাকবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন বলেন, তিস্তার ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট স্পার এলাকায় হঠাৎ ভাঙন দেখা দেয়। খবর পাওয়ার পরপরই পাউবোর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে।

আরও পড়ুন

×