চীনে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা, রাশিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ছবি: এএফপি/ কোলাজ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:৩১
দুই দিনের সফরে সোমবার চীনে গেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। সেখানে তিনি বিরোধপূর্ণ হিমালায় সীমান্ত নিয়ে বৈঠক করবেন। একইদিন রাশিয়ার মস্কোতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
আগামী মাসে ভারতে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের সম্মেলন হবে। এর আগে চীন ও রাশিয়া সফরে গেলেন দিল্লির শীর্ষ দুই কর্মকর্তা। সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিনের অংশগ্রহণের ব্যাপারে আশা করছে দিল্লি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, সীমান্ত ইস্যুতে দিল্লির বিশেষ প্রতিনিধি (এসআর) হিসেবে অজিত দোভাল বেইজিংয়ে গেছেন। মঙ্গলবার তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠক করবেন। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গেও বৈঠকের কথা আছে।
২০২০ সালে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর দুই দেশ সীমান্ত নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করেছে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সাংবাদিকদের বলেছেন, উভয়পক্ষ সীমান্ত ইস্যুতে গভীর আলোচনা চালিয়ে যাবে। যৌথভাবে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে।

এশিয়ার দুই পরাশক্তির মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত আছে। অতীতে উভয় দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে ভূখণ্ড দখল চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে।
চলতি মাসের শুরুতে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিরোধী দল। প্রতিবেদনটি ছিল, অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মুখোমুখি টহল নিয়ে। তবে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন প্রতিবেদনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
পুতিন-জয়শঙ্কর বৈঠক
রুশ গণমাধ্যম স্পুটনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ক্রেমলিনে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এস জয়শঙ্কর। বৈঠক শেষে পুতিন বলেছেন, চলতি বছর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বেড়েছে। কৃষি খাতের প্রয়োজন মেটাতে ভারতে সার সরবরাহ বাড়াবে রাশিয়া।
রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আসন্ন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সম্মেলনের ফাঁকে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের আশা করছেন।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ জানিয়েছেন, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনেও যোগ দেওয়ার ব্যাপারে পুতিন আশাবাদী। ভারত রাশিয়ার বিশেষ অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অনেক বিস্তৃত।