ঢাকা বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

হোটেলে আগুনের পর কলকাতায় বিক্রি বেড়েছে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের

হোটেলে আগুনের পর কলকাতায় বিক্রি বেড়েছে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের
×

ছবি- সংগৃহীত

কলকাতা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ | ০৪:৩৪

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের পর শহরটিতে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র কেনার হিড়িক পড়েছে। কেউ বলছে আগুনের পর সচেতন হয়েছে শহর। আবার কেউ বলছে সরকারি কড়াকড়ির কারণে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় আশঙ্কা থেকে দেখা যাচ্ছে এমন রূপ। অনেককে নিজের বাড়ির জন্যও বাড়তি সতর্কতা হিসেবে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র কিনতে দেখা গেছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এরই মধ্যে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। পশ্চিমবঙ্গের ২৩ জেলাতেই আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউস ও রেস্তোরাঁর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি ফায়ার অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পৌরসভা ও পুলিশ। 

প্রশাসনের এমন কঠোর নির্দেশের পর বেড়েছে ফায়ার অ্যালার্ম, ফায়ার এক্সটিংগুইশারসহ অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের কেনাকাটা। গতকাল মধ্য কলকাতায় অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র কিনতে দেখা যায় শহরটির বাসিন্দা ও চিকিৎসক অরুণ রবি মণ্ডলকে। তিনি জানান, নিজের বাড়ি ও চেম্বারের জন্য পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইশার নিচ্ছেন তিনি। রবি মণ্ডল বলেন, ‘শহরে যা হচ্ছে, যা দেখছি, তাতে প্রাণে বাঁচতে এই সরঞ্জাম কিনে রাখা ছাড়া উপায় নেই। আমার বাড়িতে যেগুলো ছিল, সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই দ্রুত নতুন সিলিন্ডার নিতে এসেছি।’

কলকাতার এক অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র বিক্রেতা তমাল দাস বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা এসেছে। এ ঘটনার পর কেনাকাটা অনেকটা বেড়েছে। যারা একেবারে কিছু কিনতেন না, তারা এখন কেনাকাটা করছেন। শুধু বাড়ি হোটেল-রেস্তোরাঁ নয়, যার একটা ছোট চায়ের দোকান আছে, সেও একটি ছোট এক্সটিংগুইশার কিনে নিয়ে যাচ্ছে। 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ আগস্ট কলকাতার নিউমার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটে ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান ৯ জন। এর মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক, বাকি দুজন ভারতীয়।

আরও পড়ুন

×