ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপালের বিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে ৯ দিন পরে জীবিত ২ শ্রমিক উদ্ধার

নেপালের বিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে ৯ দিন পরে জীবিত ২ শ্রমিক উদ্ধার
×

ছবি- সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:৫৮ | আপডেট: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১২:০৫

নেপালের ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের টানেল থেকে দুইজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বরফ, পাথর ও কাদার ধসে উপত্যকা বিপর্যস্ত হওয়ার নয় দিন পর তাদের উদ্ধার করা হলো।

উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, গত ২৬ আগস্ট ত্রিশূলী নদীর উজানে হিমবাহ ধসে অন্তত ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে প্রায় ৯০০ মানুষ আটকা পড়েছিলেন।

নেপালে ওই ঘটনায় অন্তত ১ হাজার ২৫২ জন নিহত হয়েছেন। চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী শহর ও গ্রামগুলোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও স্কুল ভেসে গেছে। এখনো ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। চীনের পক্ষ থেকে তিব্বতে ২১ জন নিহত ও ৫৪১ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য জানানো হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন আপার ত্রিশূলী-৩ এ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেকানিক্যাল ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ এবং মেকানিক্যাল সুপারভাইজার কবির মহার্জন। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠের কার্যালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

নেপালি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, কবির মহার্জনকে মাটির একটি গর্ত থেকে উদ্ধার করে স্ট্রেচারে নেওয়া হচ্ছে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন উল্লাস করেন। অপরদিকে সঞ্জয় সাহকে একজন উদ্ধারকর্মীর পিঠে করে টানেলের বাইরে আনা হয়। তার শরীর ও মুখ কাদায় ঢাকা ছিল।

উদ্ধারের পর সেনাবাহিনীর চিকিৎসকেরা টানেলের কাছে একটি তাঁবুতে সঞ্জয় সাহের চিকিৎসা দেন। তাকে অক্সিজেন মাস্ক পরানো অবস্থায় দেখা যায়। এক সেনা কর্মকর্তা জানান, ‘তার নাম সঞ্জয় সাহ। তিনি মেকানিক্যাল কন্ট্রোল রুমে কাজ করতেন।’

জ্বালানিমন্ত্রীর এক সহকারী জানান, কবির মহার্জন হাত-পা নাড়াতে পারছেন না। তবে সঞ্জয় সাহের আঘাত গুরুতর নয়। দুজনকেই চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হবে।

কবিরের ভাই আমির মহার্জন বলেন, এখনো সরকারি কোনো সূত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে খবর পাইনি। তবে হাসপাতালে যেতে বলা হয়েছে। সংবাদে শুনেছি আমার ভাইকে পাওয়া গেছে। পুরো পরিবার খুবই খুশি।

সূত্র : রয়টার্স 

আরও পড়ুন

×