ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

জিনজিয়াংয়ে বন্দিদের মুক্তির দাবিতে কাজাখস্তান ও তুরস্কে বিক্ষোভ

জিনজিয়াংয়ে বন্দিদের মুক্তির দাবিতে কাজাখস্তান ও তুরস্কে বিক্ষোভ
×

নিখোঁজদের ছবি নিয়ে বিক্ষোভ করছেন কাজাখ নারীরা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২১ | ০৪:১২

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের বন্দিশিবিরে আটকদের উপর নির্যাতন বন্ধে বিক্ষোভ করেছেন আটকদের পারিবারের নারী সদস্যরা। নিজেদের নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের খোঁজ ও ক্যাম্পে বন্দিদের মুক্তির দাবি জানান তারা৷

সোমবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তারা কাজাখস্তানের আলমাতি ও তুরস্কের ইস্তাম্বুলে চীনা দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। খবর বিটার উইন্টারের

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া হালিদা আখায়্তখান তার পুরো পরিবারকে হারিয়েছেন। ২০১৩ সালে তার তিন ছেলে এবং তাদের স্ত্রীদের গ্রেপ্তার করে জিনজিয়াংয়ের বন্দিশিবিরে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, আমার পুত্রবধূদের দুই থেকে ছয় বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমার দুই ছেলেকে ২৮ বছর এবং আমার ছোট ছেলেকে ১০ বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় উগ্রবাদের অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি জানি না তারা এখন কোথায় আছে। 

পশ্চিমের প্রদেশ জিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ ওঠার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে চীন। জিনজিয়াংয়ের আটক কেন্দ্রে ‘সংশোধনের নামে আটক রাখা হয়েছে হাজার হাজার উইঘুর, কাজাখ, তুর্কি ও অন্যান্য নৃতাত্বিক গোষ্ঠীর মুসলিমকে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, প্রদেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে এবং গণহত্যার মত অপরাধ সেখানে সংঘটিত হচ্ছে।

তারা বলছেন, ‘শিক্ষা শিবির’ নামক ক্যাম্পে উইঘুরদের আটকে রেখে তাদের চীনা ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানো হচ্ছে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রশংসার কথা বলা এবং তাদের সঠিক আচরণ পরিচালনার নিয়মগুলো কঠোরভাবে মনে রাখতে বাধ্য করা হচ্ছে। তাদের নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সমালোচনা করতে অথবা সেই ধর্ম পরিত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এ অভ্যাসগুলোর অংশ হিসেবে চীন সরকার সাংঘর্ষিকভাবে জিনজিয়াংয়ের উইঘুর সংস্কৃতি ও জাতিগত সত্তাকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।

তবে চীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসবাদের’ বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সংখ্যালঘুদের ক্যাম্পে রেখে ‘বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×