ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের হালিশহরে পানির সংকট

চট্টগ্রামের হালিশহরে পানির সংকট
×
×

মো. সাকিব

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ০৭:৪৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম শহরের হালিশহর কে-এল ব্লক আবাসিক এলাকা একটি ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল। সিলভার বেলস স্কুল, সেটেলমেন্ট স্কুল, বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেনসহ অনেক কোচিং সেন্টারের উপস্থিতির কারণে অসংখ্য পরিবার-পরিজন এই এলাকায় বসবাস করে। গত জুন মাস থেকে এ এলাকায় ওয়াসার পানির সরবরাহ অপর্যাপ্ত হয়ে পড়েছে। ভবন মালিক বা কেয়ারটেকাররা সপ্তাহের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে রাতভর জেগে থেকে পানি সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছিলেন। সেভাবে সংগৃহীত পানি দ্বারা বিপুল সংখ্যক পরিবারের দৈনন্দিন পানি ব্যবহারের চাহিদা মোটামুটিভাবে সামাল দেওয়া যাচ্ছিল। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে সেই অপর্যাপ্ত পানি সরবরাহও অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। ৮ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার দিবাগত  মধ্যরাত কিংবা শেষরাতে পানি সংগ্রহের চেষ্টা করেও ওয়াসার লাইন থেকে পানি পাওয়া যায়নি। 

বিশ্বমণ্ডলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও ইরানের ওপরে আমেরিকা-ইসরায়েলের আক্রমণের কারণে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে নাগরিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংকট দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেও বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে আন্তরিক ও কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু কতটা তারা সফল তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন থেকে যায়। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গ্যাসের সংকট। তবে দেশে পানির অবস্থা জ্বালানি তেল কিংবা গ্যাসের সঙ্গে তুলনাযোগ্য নয়। নদীমাতৃক দেশ, অথচ পানির সংকট! ভাবা যায়?

সরকারের এ সব উদ্যোগ সত্ত্বেও পানির মতো একটি জীবনরক্ষাকারী, অপরিহার্য উপাদানের সরবরাহে তীব্র ঘাটতি কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। এক্ষেত্রে পানি উৎপাদন বা পরিশোধন, সরবরাহ এসব প্রক্রিয়ায় জড়িত ইউনিট ও সেখানে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা একান্তভাবে প্রয়োজন। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার উদ্যোগ এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তদারকির জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং এর মাধ্যমে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটবে মর্মে আশা প্রকাশ করছি। 

মো. সাকিব: হালিশহর, চট্টগ্রাম

আরও পড়ুন

×