জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মারধরের মামলা
ছবি- সংগৃহীত
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০২:৪৯
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, মারধর করে জুলাইযোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে জুলাইযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন এ মামলা দায়ের করেন।
আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় যাদেরকে আসামি করা হয়েছে, তারা হলেন—ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, নির্বাহী সদস্য সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, সাইদুর রহমান শাহিদ, মেহেদী হাসান প্রিন্স, সাগর, আফজালু রহমান সায়েম, হারুন অর রশীদ, কামরুল হোসেন, আলিফ, জাহিদ, মোমেনুজ্জামান দিপু, সাজ্জাদ মোস্তফা, ফাতেমা আফরিন পায়েল ও ইয়াছিন মোল্লা ।
মামলার বাদী গিয়াস উদ্দিন অভিযোগে বলেন, জুলাইযোদ্ধা হিসেবে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে চেক গ্রহণ করতে যান। তবে তা না পেয়ে রাজধানীর বাংলামোটর এনসিপি অফিসে গিয়ে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, জুলাই আন্দোলনের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, তাসনিম জারা, স্নিগ্ধকে বিষয়টি অবগত করেন।
তারা তাকে আশ্বস্ত করে জানায়, জুলাই ফাউন্ডেশনে গেলে চেক দিয়ে দিবে। কিন্তু উল্লখিত আসামিরা ‘আজ না, কাল বলে সময় ক্ষেপণ করে। ২০২৫ সালের ৩ মে চেক নেওয়ার জন্য বাদী ফাউন্ডেশনে গেলে আসামিরা তাকে জানান, চেকের ৩ লাখ টাকার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা দিলেই তখনই ব্যাংক থেকে ক্যাশ করে চেক নিতে পারবেন। বাদী গিয়াস উদ্দিন ৫০ শতাংশ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা কৌশলে বাদীকে গোপন কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে প্রিন্স ও সাগর তার দুই হাত ধরলে শাহিদ ও সায়েম তাকে কিল-ঘুষি, লাথি মারে। পরবর্তীতে বাদীকে ফেলে দিলে রডের সাথে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। পরবর্তীতে জ্ঞান ফিরে এলে দেখতে পান, তার শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। চিৎকার ও কান্নাকাটি করলে শাহিদ, সায়েম ও কামরুল কিল-ঘুষি দিয়ে তাকে বের করে দেয়। পরে তার ছেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বাদী তার আভিযোগে আরো বলেন, থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে কালক্ষেপণ করে। ইতিপূর্বে আরো একজন একই অভিযোগে মামলা করেছে যা তদন্তনাধীন রয়েছে।
- বিষয় :
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন
- মামলা