ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাতে ঘুম আসতে দেরি হওয়া, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্ত লাগার সমস্যা অনেকেরই রয়েছে। মানসিক চাপ, অনিয়মিত জীবনযাপন, দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে। এর মধ্যে স্ট্রেংথ ট্রেনিং বা পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়ামও উপকারী হতে পারে।
শিশুদের মাঝে মাঝে ক্লান্ত হয়ে পড়া স্বাভাবিক। তবে কয়েক সপ্তাহ ধরে স্বাভাবিকের তুলনায় কম প্রাণবন্ত থাকা, খেলাধুলায় আগ্রহ কমে যাওয়া, পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া বা ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্ত লাগার মতো বিষয়গুলো উপেক্ষা করা উচিত নয়। এর পেছনে ঘুমের সমস্যা থেকে শুরু করে খাবারের অভ্যাস কিংবা শারীরিক ও মানসিক নানা কারণ থাকতে পারে।
সুস্থ থাকার কথা উঠলেই অনেকের মনে আসে জিমের খরচ, দামি খাবার, স্পা কিংবা নানা ধরনের ওয়েলনেস প্রোগ্রাম। কিন্তু শরীর ও মন ভালো রাখতে সবসময় বড় অঙ্কের টাকা খরচ করার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিনের জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস যোগ করেই নিজের সুস্থতার দিকে নজর দেওয়া যায়।
রক্তে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে কিডনি অকেজো হতে শুরু করে। পেশি থেকে বের হওয়া দূষিত পদার্থ কিডনি ছাঁকতে না পারলেও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই কিডনির জটিলতায় ভুগলে খাবার দাবারের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম শুধু খাবারের স্বাদ ও রং বাড়ায় না, এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ উপাদান শরীরের কোষকে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এসব রঙিন ক্যাপসিকাম রাখা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।
ক্রমাগত ডায়রিয়া ও পাতলা পায়খানা হওয়া, মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন দেখা দিলে সতর্ক হওয়া জরুরি। কারণ এ লক্ষণগুলো হতে পারে কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ।
হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি শুধু অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান বা শরীরচর্চার অভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। নিয়মিত ব্যায়াম করেন, ওজন স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খান এমন ব্যক্তিরও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে শরীরে নীরবে বেড়ে চলা উচ্চ কোলেস্টেরল।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সাধারণত গ্লুকোমিটার বা ব্লাড গ্লুকোজ মনিটরিং এবং কন্টিনিউয়াস গ্লুকোজ মনিটরিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। দুটির কাজ একই হলেও পদ্ধতি, সুবিধা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কিছু পার্থক্য।
মানসিক চাপ বাড়লে শরীরে কর্টিসল ও অন্যান্য স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে স্নায়ুতন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায়। ফলে ত্বকে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, র্যাশের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের একজিমা বা সোরিয়াসিস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও মানসিক চাপ রোগকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।
অনেকেই রোজ খালি পেটে আপেল সিডার ভিনেগার খান। রক্তে কোলেস্টেরল ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এর জুড়ি নেই। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেও এটি ভূমিকা রাখে। কিন্তু প্রশ্ন হলো খালি পেটে আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়া কি ঠিক?
এবিসি জুস তুলনামূলক কম ক্যালরির একটি পুষ্টিকর পানীয়। তাই এটি উচ্চ ক্যালরির বা অতিরিক্ত চিনি-সমৃদ্ধ পানীয়ের বিকল্প হতে পারে। এবিসি জুসের বিভিন্ন উপাদান শরীরে শোষিত হয়ে হজম ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে। ক্ষুধা ও অপ্রয়োজনীয় খাবারের আকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এই জুস।