ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
নার্সিসিস্টরা নিজের সম্পর্কে অবাস্তব ও উঁচু ধারণা পোষণ করেন। নিজের কাজ, রূপ-গুণে অতিমুগ্ধ থাকেন। নিজেদের যোগ্যতা বা সাফল্যকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে জাহির করেন এবং নিজেকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করেন।
সম্পর্কে যখন সুবাতাস বয় তখন সবকিছুকে বর্ণিল ও সুন্দর মনে হয়। ভালোবাসার মানুষটিকে মনে হয় পৃথিবীর সেরা ব্যক্তি। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। ভালো-মন্দের পার্থক্যও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আঙুল চোষার সমস্যা দূর করতে সন্তানের সারা দিনের কাজকর্মকে একটি নিয়মে বেঁধে দিন। শিশুর আঙুলে কোনো তেতো জিনিস, যেমন নিমপাতার রস বা চিরতার পানি মাখিয়ে রাখুন।
শিশুদের বুদ্ধি বাড়াতে অঙ্ক, মাইন্ড গেইম যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। তবে ঘুমানোর আগে সন্তানের সঙ্গে কিছু কাজ নিয়মিত করলেও তার মেধার বিকাশ ঘটে।
বাবা-মায়ের কিছু অভ্যাস শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর এ কারণে অনেকের সন্তান একগুঁয়ে ও জেদি হয়। তারা অভিভাবকের কথা শোনে না, বরং তাদের ভোগান্তিতে ফেলে।
সম্পর্কে রাগ অভিমান, খুনসুটি, ঝগড়া, টানা পোড়েন খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। সম্পর্কে একঘেয়েমি চলে আসলে, ছন্দ পতন হলে, কীভাবে সম্পর্কে ছন্দ ফেরানো যায়, কীভাবে সম্পর্ক মধুর করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।
সব খানেই ভালোর পাশাপাশি মন্দ মানুষ আছে। আছে টক্সিক মানুষ। সেসব বিষাক্ত তথা টক্সিক মানুষকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উত্তম। তবে তার আগে টক্সিক মানুষ চিনতে হবে। বন্ধু-সহকর্মীদের মধ্যে এ ধরনের মানুষ লুকিয়ে থাকলে চেনা দায় হয়ে যায়। আর একবার চিনে গেলে তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই ভালো। নয়তো তারা আপনার মন, মেজাজ খারাপ করে দেবে।
চোখের সামনে সন্তানকে বেড়ে উঠতে দেখা আনন্দের। তবে সন্তান লালন পালন খুব সহজ বিষয় নয়। অনেক সময় না বোঝেই সন্তানের সামনে বাবা-মা ও অভিভাবকেরা এমন অনেক আচরণ করে ফেলেন, যা শিশু সন্তানের আচরণগত দিক এবং মানসিক বিকাশে প্রভাব ফেলে।
সময়ের অভাবে এবং নানান ব্যস্ততায় যারা স্ত্রীর প্রশংসা করেন না, তারা আজ মনভরে স্ত্রীর প্রশংসা করুন। কারণ আজ স্ত্রীকে প্রশংসা করার দিন।
নবজাতকের ত্বক খুবই কোমল ও স্পর্শকাতর। তাদের ত্বক সুরক্ষার জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। তেল দিয়ে ম্যাসাজ শুধু শিশুর ত্বকের পরিচর্যাই করে না, এটি তার মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে বাজারে বিভিন্ন ধরনের তেলের প্রাচুর্যের ভেতর সঠিক তেল নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
টক্সিক মানুষেরা সাধারণত কোনো কিছুর দায়িত্ব নিতে চান না। তারা দায়ভার অন্যের কাঁধে চাপান। আবার কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করেন। আপনার মধ্যে যদি এ ধরনের মানসিকতা থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই নেতিবাচক ও টক্সিক প্রকৃতির মানুষ।