ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রেকআপের পর কেউ কেউ দীর্ঘসময় অতীতে পড়ে থাকেন। নিজেকে অতীতে আটকে রাখলে ক্ষতি আপনারই হবে। আবার সদ্য ব্রেকআপের পর সঙ্গীকে ভুলতে এমন কিছু করা যাবে না, যা আপনার বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
নার্সিসিস্টরা নিজের সম্পর্কে অবাস্তব ও উঁচু ধারণা পোষণ করেন। নিজের কাজ, রূপ-গুণে অতিমুগ্ধ থাকেন। নিজেদের যোগ্যতা বা সাফল্যকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে জাহির করেন এবং নিজেকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করেন।
সম্পর্ক টেকে বোঝাপড়ায়, যত্নে। নিত্যদিনের চলাফেরায়, যোগাযোগে সঙ্গীর সঙ্গে এমন আচরণ করা ঠিক নয়, যা তাকে ছোট করে।
শিশুর অতিরিক্ত ঘাম হলে, শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে, পেট ব্যথা-মাথাব্যথা-বমি বমি ভাব বা বমি হলে সচেতন হোন। উদ্বেগ শিশুর ঘুম ও ক্ষুধার উপর প্রভাব ফেলে।
প্রতিটি সম্পর্কই আমাদের কিছু না কিছু শিখিয়ে দেয়। এতে থাকে বদলে যাওয়া এবং নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার গল্প। সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের মধ্যে বেশ আলোচিত একটি ধারণা হলো “টুইন ফ্লেম”।
শিশুরা না ঘুমালে বাবা মায়েরা অস্থির হয়ে যান। আর পর্যাপ্ত ঘুমালে অনেকটা শান্তিতে থাকেন। ভালো থাকে শিশুর শরীরও। সদ্যোজাত শিশু দিনে ১৭-১৮ ঘণ্টা ঘুমায়। বয়স যত বাড়ে, ঘুমের সময় কমতে থাকে।
সম্পর্কে যখন সুবাতাস বয় তখন সবকিছুকে বর্ণিল ও সুন্দর মনে হয়। ভালোবাসার মানুষটিকে মনে হয় পৃথিবীর সেরা ব্যক্তি। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। ভালো-মন্দের পার্থক্যও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আঙুল চোষার সমস্যা দূর করতে সন্তানের সারা দিনের কাজকর্মকে একটি নিয়মে বেঁধে দিন। শিশুর আঙুলে কোনো তেতো জিনিস, যেমন নিমপাতার রস বা চিরতার পানি মাখিয়ে রাখুন।
শিশুদের বুদ্ধি বাড়াতে অঙ্ক, মাইন্ড গেইম যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। তবে ঘুমানোর আগে সন্তানের সঙ্গে কিছু কাজ নিয়মিত করলেও তার মেধার বিকাশ ঘটে।
বাবা-মায়ের কিছু অভ্যাস শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর এ কারণে অনেকের সন্তান একগুঁয়ে ও জেদি হয়। তারা অভিভাবকের কথা শোনে না, বরং তাদের ভোগান্তিতে ফেলে।
সম্পর্কে রাগ অভিমান, খুনসুটি, ঝগড়া, টানা পোড়েন খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। সম্পর্কে একঘেয়েমি চলে আসলে, ছন্দ পতন হলে, কীভাবে সম্পর্কে ছন্দ ফেরানো যায়, কীভাবে সম্পর্ক মধুর করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।