সৃজনশীল শিল্পচর্চায় ‘রক্তকরবী’র আত্মপ্রকাশ
বাংলামোটরের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে ‘রক্তকরবী’ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ | ১৪:০৮
দেশের সংস্কৃতি, সাহিত্য, সংগীত, নাটক, নৃত্য, আবৃত্তি ও শিল্পকলার বিকাশে কাজ করতে যাত্রা শুরু করেছে ‘রক্তকরবী’ নামের একটি সংগঠন। অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এ সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ শনিবার অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বাংলামোটরের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রধান কার্যালয়ে।
স্বাধীনতা ও মানবতার অমলিন প্রতীক কবি শামসুর রাহমানকে নিবেদন করে আয়োজন করা হয়েছিল আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম (কবি শহিদ আজাদ) বলেন, সাংস্কৃতিক সংগঠন হলো জাতির চেতনার কারখানা, যেখানে তৈরি হয় মুক্তচিন্তা, মানবিকতা ও সভ্যতার নতুন বীজ- যা একসময় সাংস্কৃতিক বিপ্লবে রূপ নেয়। বিশ্বাস করি ‘রক্তকরবী’ নামের এই সংগঠন একদিন আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনায় প্রজাপতি হয়ে উড়বে।
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তাহেরা আফরোজ বলেন, ‘রক্তকরবী’ শুধুমাত্র শিল্পচর্চার সংগঠন নয়- এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন। সংগঠনটি তরুণ প্রজন্মকে সাহিত্য, নাটক, সংগীত, আবৃত্তি ও চিত্রকলার মাধ্যমে সৃজনশীল, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে।
‘রক্তকরবী’র মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও চর্চা এবং জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা। এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, সামাজিক সচেতনতা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করা এবং সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও প্রদর্শনীর আয়োজন।
সংগঠনের সদস্যপদ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সকল বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য, যারা রক্তকরবীর লক্ষ্য ও নীতিতে বিশ্বাসী।
সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী আখতার বলেন, শিল্পই সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। তাই কেবল শিল্পচর্চা নয়, বরং সাংস্কৃতিক চেতনার মাধ্যমে একটি মানবিক, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকার।
- বিষয় :
- সংস্কৃতিচর্চা
- শিল্পকলা
- সংগঠন
