হাজিদের দিন যেভাবে কাটে
ফারজানা হক বিথী
প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬ | ১২:২৩
হজযাত্রীরা ৪০ থেকে ৫০ দিন সৌদি আরবে অবস্থান করেন। এর মধ্যে জিলহজ মাসের ৭ থেকে ১২ তারিখ হজের আনুষ্ঠানিকতায় পূর্ণ থাকে।
আর আছে মদিনায় মসজিদে নববিতে আট দিন ৪০ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা। বাকি দিনগুলো ইবাদত-বন্দেগি আর স্বাভাবিক জীবনযাপনে কাটে হজ পালনকারীদের। হজ পালন করতে গিয়ে মক্কা-মদিনায় সাধ্যমতো ইবাদত করা ভালো।
একজন হজযাত্রীর রুটিন কেমন হতে পারে– এই লেখায় একটা ধারণা দেওয়া হলো। স্থান, কাল, পাত্রভেদে সুবিধামতো আমল করবেন। মক্কায় থাকলে সব নামাজ মসজিদুল হারামে আর মদিনায় অবস্থান করলে মসজিদে নববিতে জামাতে নামাজ পড়বেন। এ ছাড়া ইশরাক, চাশ্ত, আউয়াবিন, তাহাজ্জুদ নামাজ ও প্রতি ওয়াক্ত নামাজ শেষে দুটি করে তাওয়াফ করা, জমজম পানি খাওয়া এবং ঐতিহাসিক স্থানে বেড়াতে যেতে পারেন। এসব অভিজ্ঞতা লিখেও রাখতে পারেন।
ভোর: তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়। মক্কা-মদিনায় জামাতে ফজরের নামাজ আদায় করা। তাওয়াফ করা, জমজমের পানি পান, কোরআন তেলাওয়াত করা।
সকাল: জমজমের পানি পান, সকালের নাশতা খাওয়া, ঐতিহাসিক স্থানে বেড়ানো, ব্যক্তিগত কাজ বা বিশ্রাম করা।
দুপুর: জামাতে জোহরের নামাজ আদায়। জমজমের পানি পান, দুপুরের খাবার খাওয়া, বিশ্রাম নেওয়া।
বিকেল: জমজমের পানি পান, মক্কা-মদিনায় জামাতে আসরের নামাজ পড়া।
সন্ধ্যা: জামাতে মাগরিবের নামাজ আদায় করা। তাওয়াফ করা, জমজমের পানি পান, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির করা।
রাত: মক্কা-মদিনায় জামাতে এশার নামাজ আদায়। তাওয়াফ করা। জমজমের পানি পান, নফল নামাজ আদায়, বিতরের নামাজ আদায় করা। রাতের খাবার খাওয়া। রাতে ঘুমানোর প্রস্তুতি। জিকির করা।
- বিষয় :
- হজযাত্রী
