ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

মানকাডিংকে স্বীকৃতি, এমসিসির বড় সিদ্ধান্ত

মানকাডিংকে স্বীকৃতি, এমসিসির বড় সিদ্ধান্ত
×

ছবি-ফাইল

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২২ | ০১:৩৯ | আপডেট: ০৯ মার্চ ২০২২ | ০১:৩৯

মানকাডিং নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এই নিয়মে কোনও ব্যাটারকে আউট করা হলে সেটিকে 'অখেলোয়াড়সুলভ' আচরণ হিসেবেই ধরা হতো। সেই 'অখেলোয়াড়সুলভ' আচরণকেই সাধারণ রান আউটের স্বীকৃতি দিতে চলেছে ক্রিকেটের আইনপ্রণেতা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মানকাডিং আউটের ঘটনা ঘটেছিল ১৯৪৭ সালের ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে। ভিনু মানকড় অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার বিল ব্রাউনকে এভাবে আউট করেছিলেন বলে তার নামে এই আউটের নামকরণ করা হয়। তখন মানকড়ের সেই প্রচেষ্টাকে 'অখেলোয়াড়সুলভ' আচরণ আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিল অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম। ২০১৯ সালের আইপিএলেও মানকাডিং বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তারপর থেকে একাধিকবার এর নিয়মে পরিবর্তন আনার দাবি উঠেছে। অবশেষে এবার এ নিয়ে ঘোষণা করল মেরিলিবন ক্রিকেট ক্লাব।

সম্প্রতি এমসিসির এক সভায় প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে মানকাডিংকে সাধারণ রানআউটের পর্যায়ভুক্ত করার বিষয়টি। মানকাডিং নিয়ে এমসিসির নিয়ম বদলের অর্থ হলো, নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যাটসম্যান বোলিংয়ের আগে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এলে তাকে রানআউট করা যাবে সহজেই। তখন এটিকে আর কেউই ক্রিকেটীয় চেতনার পরিপন্থী বলবেন না। এত দিন মানকাডিংকে 'আনফেয়ার প্লে' (আইন-৪১) হিসেবে ধরা হতো। এখন থেকে এটি বিবেচিত হবে 'ফেয়ার প্লে' হিসেবে। এটিকে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে রানআউট হিসেবে (আইন ৩৮)।

এছাড়া আরো কিছু বদল আনা হয়েছে ক্রিকেটের আইনে। আগামী ১লা অক্টোবর থেকে এটি চালু করা হবে বলে জানা গেছে।

লালার ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা: করোনার কারণে বলে লালা লাগানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা চাপাতে বাধ্য হয়েছিল এমসিসি। লালার ব্যবহারের ফলে মূলত লাল বলে অতিরিক্ত সুইং পান পেসাররা। এমসিসি জানিয়েছে লালার ব্যবহার বন্ধ হওয়ার পরেও বোলারদের বলকে সুইং করানোর উপর খুব বেশি প্রভাব পড়েনি বা বলা যায় কোনও প্রভাব পড়েনি। সম্প্রতি লালার পরিবর্তে বলতে চমকানোর জন্য ঘামের ব্যবহার করছেন বোলাররা। এমসিসি জানিয়েছে বলকে চমকানোর জন্য ঘামের ব্যবহার একই রকম কার্যকারী।

ব্যাটিং পজিশনে পরিবর্তন: ক্রিকেটের একটি নিয়ম ছিল ক্যাচ আউটের ক্ষেত্রে নন-স্ট্রাইকার ব্যাটার ২২ গজের অর্ধেক পেরিয়ে স্ট্রাইক প্রান্তে চলে গেলে তিনিই স্ট্রাইক পেতেন। এমসিসি কর্তৃক পরিবর্তিত আইনে নন-স্ট্রাইকার ব্যাটার যেখানেই থাকুক, নতুন ব্যাটারই স্ট্রাইক পাবেন। তবে সেটি ইনিংসের শেষ বলে হলে আবার নতুন ব্যাটার যাবেন নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে।

ডেড বল: ডেড বলের নিয়মেও আনা হয়েছে কিছু পরিবর্তন। যদি মাঠের মধ্যে হঠাৎ করে আগন্তুক বা প্রাণী ঢুকে পড়ে কিংবা অন্য কোনো কারণে খেলা ব্যাহত হয়, তবে সেই সময়ের বলটিকে ডেড বল ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন

×