ঢাকা শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

স্মৃতির মঞ্চে স্বস্তির সুবাতাস

স্মৃতির মঞ্চে স্বস্তির সুবাতাস
×

যুব বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দল

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ১০:২২ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ১১:৩০

২০২০; বাংলাদেশ ক্রিকেটকে নতুন করে চিনেছিল বিশ্ব। যে কাজটা বড়রা করতে পারেননি, সেটা ছোটরাই করে দেখান দারুণভাবে। সে বছর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বসেছিল যুব বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মতো ফেভারিটরা দেখেছিল শিরোপার স্বপ্ন। কিন্তু তাদের স্বপ্ন চুরমার করে ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরেন আকবররা। যার সুবাদে বাংলাদেশও পায় বিশ্বকাপ নামক একটা সোনার হরিণ, হোক সেটা যুবাদের।

আবারও সেই প্রতিযোগিতার দুয়ারে বাংলাদেশের যুবারা। এরই মধ্যে আশার বেলুন উড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পা রেখেছেন তারা। সেখানে কন্ডিশনিং ক্যাম্প, প্রস্তুতি পর্ব শেষ করে মূল লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ। তা ছাড়া এবারের আসরও দক্ষিণ আফ্রিকায় হওয়ায় স্বস্তির সুবাতাস বইছে বাংলাদেশ দলে। সেসঙ্গে আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই। এশিয়া কাপ জেতার পর তানজিদ-জয়দের পথ ধরে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে নোঙর করতে চান মাহফুজুর রহমান রাব্বিরাও।

১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নামবে ২০ জানুয়ারি। যাত্রাতেই তাদের ভারত পরীক্ষা। যারা কিনা পাঁচবার যুব বিশ্বকাপ জিতেছে। তবে এশিয়া কাপে এই ভারতের বাধা পেরিয়ে ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সেটাই এখন যুবাদের জন্য বড় প্রেরণা। গত রোববার দেশ ছাড়ার আগে যেমন আভাস দিয়ে যান দলনেতা রাব্বিও, ‘আমার মনে হয় না, কোনো কিছু তেমন কঠিন হবে। (এশিয়া কাপে) ভারতের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচের উইকেট আর দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেট অনেকটা একই রকম। আমার মনে হয় না, এটা তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ। একটা ম্যাচ খেললেই আর চাপ আসবে না।’

নতুন ফরম্যাট, ম্যাচ সংখ্যা কমে যাওয়া আর সুপার সিক্সের সমীকরণ নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও বাংলাদেশকে শুরুতেই ভারত ছাড়া আইরিশদের মোকাবিলা করতে হবে। গ্রুপ পর্বে এই দুটি ম্যাচ খানিকটা কঠিন হলেও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সহজেই উতরে যাওয়ার কথা তাদের। এই পথে আবারও প্রেরণা সেই ২০২০। গত আসরে ভারত জিতেছিল শিরোপা। এবার তাদের থেকে মুকুটটা ছিনিয়ে আনতে চাইবে বাংলাদেশ, যা নিয়ে বেশ আশাবাদী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কও, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস অবশ্যই আছে। দলের অবস্থাও ভালো। আশা করি, আমরা যেন ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। আমি শতভাগ সন্তুষ্ট। আমাদের দলের খেলোয়াড়রা আমাকে অনেক সহায়তা করছেন। কোচ থেকে শুরু করে সবাই সহায়তা করে আমার কাজ সহজ করে দিচ্ছেন।’

মাঠের লড়াইয়ের আগে পচেফস্ট্রুমে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত কন্ডিশনিং ক্যাম্প চলবে বাংলাদেশ দলের। এর পর ১২ জানুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি আনঅফিসিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা তাদের। সেখান থেকে ১৩ জানুয়ারি আইসিসির বলয়ে প্রবেশ করবে যুবারা। ১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে প্রস্তুতি পর্ব। যেখানে লঙ্কানদের মুখোমুখি হবে তারা। এবার নতুন ফরম্যাটের বিশ্বকাপ হওয়ায় প্রতি গ্রুপ থেকে সুপার সিক্সের টিকিট পাবে তিনটি করে দল। সেই পর্যায়ের লড়াইও হবে গ্রুপ পর্বে। ‘এ’ ও ‘ডি’ গ্রুপের তিনটি এবং ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রুপের তিনটি করে দল নিয়ে করা হবে আলাদা দুইটি গ্রুপ। এই দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল পাবে সেমিফাইনালের টিকিট।

আরও পড়ুন

×