’ইংল্যান্ডের মডেল বাংলাদেশে প্রয়োগ করা কঠিন’
ছবি: ফাইল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২০ | ১২:০০ | আপডেট: ২১ জুলাই ২০২০ | ০৪:০৯
করোনাভাইরাস মহামারির ভেতরেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ আয়োজন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইংল্যান্ড। দেশটির এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উন্নত অনেক দেশই ক্রিকেট সিরিজ আয়োজনে উদ্যোগী হতে পারে। সে কারণেই গতকাল আইসিসির উদ্যোগে সদস্য দেশের মেডিকেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকরা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
ইংলিশদের অভিজ্ঞতা শোনার পর বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীর মনে হচ্ছে, করোনা চলাকালে সিরিজ আয়োজন করা কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেবে বাংলাদেশের জন্য। কোটি কোটি টাকা খরচ হবে সিরিজ শেষ করতে।
দেবাশীষ চৌধুরীর মতে, 'যেটা বুঝলাম. এটা খুব কঠিন কাজ। মানুষ ম্যানেজমেন্ট করা সবচেয়ে কঠিন। স্টেডিয়াম জীবাণুমুক্ত করতে ওষুধ ব্যবহার করছে পরিচ্ছন্নতা কর্মী। করোনাভাইরাসের উপস্থিতি সম্পর্কে তার ধারণা নেই। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। যে খাবার রান্না করবে এবং পরিবেশন করবে, সেখানে চ্যালেঞ্জ। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে সব সময় পাহারা দিতে হবে, যেটা সম্ভব নয়। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করছে ইংল্যান্ড। একটা কভিড টেস্টে ১১০ পাউন্ড করে লাগে। হাজার হাজার টেস্ট করেছে ওরা। সিরিজ শেষেও টেস্ট করা হবে। বিসিবির জন্য যেটা কঠিন হবে।'
ইংল্যান্ডে ক্রিকেট সিরিজ পরিচালনার জন্য বায়ো অর্গানিক যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সে প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিশাল একটা গ্রুপ। ডা. নিক পিআরের নেতৃত্বে চিকিৎসক দল সফলভাবে সব কাজ পরিচালনা করছেন বলে জানান দেবাশীষ, 'ওদের প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা ইউনিট আছে। নিকের তত্ত্বাবধানে সরকার থেকে শুরু করে প্রতিটি স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে খেলা চালাতে হচ্ছে। এ ছাড়া ওদের হোটেল মাঠের কাছে, যে সুবিধা অন্য দেশে নেই। তাই ইংল্যান্ডের মডেল বাংলাদেশে ফিট নাও হতে পারে।'
ফিট হোক বা না হোক ইসিবির মডেল শিগগিরই ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোকে সরবরাহ করা হবে লিখিত আকারে।