ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

এক রান নয় বড় সেঞ্চুরির চিন্তা ছিল মুশফিকের

এক রান নয় বড় সেঞ্চুরির চিন্তা ছিল মুশফিকের
×

দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করা মুশফিক। ছবি: বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০২৫ | ১৯:৪৫ | আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০২৫ | ১৯:৫০

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে শেষ করেন মুশফিকুর রহিম। ২০ বছরের লম্বা ক্যারিয়ারে ওমন অভিজ্ঞতা হয়নি তার। অথচ মাইলফলকের শততম টেস্টে কিনা ১ রানের এক রজনী অপেক্ষা। মুশফিক জানিয়েছেন, রানটা তিনি প্রথমদিনই করে ফেলতে চেয়েছিলেন। না পারলেও নির্ভার থাকার চেষ্টা করেছিলেন।

দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে ১০৬ রানে আউট হওয়া মুশফিক জানান, শুধু ১ রান করে সেঞ্চুরি নয়, বড় সেঞ্চুরির চিন্তা করছিলেন তিনি, ‘আর একটা ওভার হতেও পারত। দিন শেষে, তারাও খেলতে এসেছে। এটা তাদের কৌশলের অংশ ছিল। ফিল্ডিংয়ে থাকলে আমরাও ওভাবেই চেষ্টা করতাম। আমার ইচ্ছা ছিল, যেন বড় সেঞ্চুরি করতে পারি। চেষ্টা ছিল যে, ১ রান নয় যেন আরও ৬০-৭০ রান যোগ করতে পারি। লিটনের সেঞ্চুরি পর্যন্ত ক্রিজে থাকার ইচ্ছে ছিল। চেষ্টা করেছি, হয়নি।’

তবু সেঞ্চুরি পেতে ১ রানের অপেক্ষার রজনী তো পাড়ি দিতে হয়েছে মুশফিককে। কতটা নির্ভার ছিলেন কিংবা কীভাবে নির্ভার ছিলেন প্রশ্নে ৩৮ বছর বয়সী তারকা জানান, ১০০ টেস্ট বড় সংখ্যা। এই সংখ্যায় পৌঁছুতে পৌঁছুতে শিখে গেছেন। সেভাবেই নির্ভার থাকার চেষ্টা করেছেন। তবে ক্যারিয়ার শুরুর সময় তিনি ভাবেননি শততম টেস্ট খেলতে পারবেন।

মুশফিক বলেন, ‘আমি নিজেও ভাবিনি, বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটার হিসেবে ১০০ টেস্ট খেলবো। এটা বড় অর্জন। শুধু আমি বলে নয়, যেকোন ক্রিকেটার, যেকোন দেশের জন্য এটা গর্বের মুহূর্ত। বাংলাদেশের জন্য ব্যক্তিটা আমি হতে পেরেছি, এজন্য গর্বিত। যে ক’টা ম্যাচই খেলতে পারি, চেষ্টা থাকবে প্রতিফলন দেওয়ার। আমি যাওয়ার পরে ড্রেসিং রুমে যেন এক-দুইটা প্লেয়ার রেখে যেতে পারি, যেন গ্যাপটা পূরণ হয়ে যায়।’

টেস্ট ক্রিকেটে মুশফিকের ২০ বছরের যাত্রা। প্রাপ্তির সঙ্গে অপ্রাপ্তিও আছে। মুশফিক জানিয়েছেন, টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশকে সেরা ছয়ে তোলার লক্ষ্য ছিল তার। তার মতে, বাংলাদেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে। অন্যদের তুলনায় কম টেস্ট খেলাকে এর পেছনের কারণ মনে করেন মুশফিক। টেস্ট নেতৃত্ব নিয়ে কোন আক্ষেপ নেই বলেও জানান।

মুশফিক বলেন, ‘টেস্টে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যতদিন থাকি, সেরা ছয়ে দেখতে চাই। এটাই আমার লক্ষ্য। দেখা যাক কতটুকু পূরণ হয়। নেতৃত্ব নিয়ে আক্ষেপ নেই। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অধিনায়কত্ব করাও চ্যালেঞ্জিং। সত্যি বলতে, একজন অধিনায়কের যেমন রিসোর্স (পর্যাপ্ত মানসম্মত খেলোয়াড়) থাকা দরকার, বেসিক রুলস, যতটা পেশাদারিত্ব দরকার, ওই রকম ছিলও না। ওই প্রেক্ষাপটে থেকে কতটুকু করেছি বা পেরেছি আমি নিশ্চিত না। বরং দলকে টেস্টে নেতৃত্ব দিতে পেরেছি, সেজন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।’

আরও পড়ুন

×