রাইজিং স্টার্স ফাইনাল
বাংলাদেশকে ১২৬ রানের লক্ষ্য দিল পাকিস্তান
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০২৫ | ২২:১৯ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২৫ | ২২:২৩
২০১৯ সালে ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে এই পাকিস্তানের কাছেই ৭৭ রানে হেরে শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেনদের নিয়ে গড়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের। টুর্নামেন্টের নাম বদলে এখন ‘রাইজিং স্টার্স’ হলেও প্রতিপক্ষ সেই পাকিস্তানই। এবার আকবর আলীর দলের সামনে সুযোগ সেই হারের মধুর প্রতিশোধ নিয়ে এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরার। কাতারের দোহায় রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপের ফাইনালে বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে পাকিস্তান শাহিনসকে মাত্র ১২৫ রানে গুটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরতে আকবর আলীর দলের প্রয়োজন মাত্র ১২৬ রান।
রোববার দোহায় টস ভাগ্য ছিল বাংলাদেশ অধিনায়কের পক্ষেই। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম বলেই আব্দুল গাফফার সাকলাইনের দুর্দান্ত থ্রোতে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন পাকিস্তানি ওপেনার ইয়াসির খান। দ্বিতীয় ওভারেই এস এম মেহেরবের কুইকার বুঝতে না পেরে বোল্ড হন মোহাম্মদ ফাইক। এরপর স্পিনারদের রাজত্ব। রাকিবুল হাসান এসে ৯ রান করা গাজী ঘুরিকে বোল্ড করেন। টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ ফর্মে থাকা পাকিস্তানি ওপেনার মাজ সাদাকাতকে (১৮ বলে ২৩) থিতু হতে দেননি জিসান আলম।
মাঝপথে আরাফাত মিনহাস (২৫) কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও সাকলাইনের স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে বোল্ড হন। শেষদিকে সাদ মাসুদের ২৬ বলে ৩৮ রানের লড়াকু ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান কোনোমতে ১২৫ রানের পুঁজি পায়। বাংলাদেশের পেসার রিপন মণ্ডল দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৩টি উইকেট শিকার করেন। রাকিবুল হাসান নেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন মেহেরব, জিসান ও সাকলাইন।
শিরোপা নির্ধারণী এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালের একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন জাওয়াদ আবরার ও অভিজ্ঞ পেসার আবু হায়দার রনি। তাদের জায়গায় ফাইনালে সুযোগ পেয়েছেন পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও স্পিনিং অলরাউন্ডার মাহফুজুর রহমান রাব্বি।
বাংলাদেশ একাদশ: জিসান আলম, হাবিবুর রহমান সোহান, ইয়াসির আলী রাব্বি, আকবর আলী (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), রাকিবুল হাসান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, এস এম মেহেরব হোসেন, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রিপন মণ্ডল ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
পাকিস্তান ‘এ’ দল: মাজ সাদাকাত, ইয়াসির খান, মোহাম্মদ ফাইক, ইরফান খান (অধিনায়ক), গাজী ঘুরি, সাদ মাসুদ, আরাফাত মিনহাস, শহীদ আজিজ, আহমেদ দানিয়াল, উবাইদ শাহ এবং সুফিয়ান মুকিম।
