ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস, ভবিষ্যদ্বাণী জার্মান অর্থনীতিবিদের

বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস, ভবিষ্যদ্বাণী জার্মান অর্থনীতিবিদের
×

ডেনজেল ডামফ্রিস ও তেউন কুপমাইনার্সের গোল উদযাপন। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে। ছবি: এএফপি

বিবিসি

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬ | ১৯:২৪ | আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ | ২০:০৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০১০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আলোচনায় ছিল ‘পল’ নামের একটি অক্টোপাস। জার্মানির ম্যাচের নিখুঁত পূর্বাভাস দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। তবে জার্মান অর্থনীতিবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট সেই পলকেও ছাড়িয়ে গেছেন। 

ক্লেমেন্ট এমন এক জটিল মডেল তৈরি করেছেন, যেটির সাহায্যে ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলের নাম আগাম জানিয়েছেন। তাঁর পূর্বাভাস শতভাগ মিলেও গেছে। এবার ক্লেমেন্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরবে নেদারল্যান্ডস।

গত ১০ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ক্লেমেন্ট নিজেকে একজন ‘হতাশাবাদী’ মানুষ হিসেবে পরিচয় দেন। ২০১৪ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ জেতার পর তাঁর প্রথম ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হয়। ক্লেমেন্ট ভেবেছিলেন ২০১৮ সালে আবার হিসাব-নিকাশ করলে সফল নাও হতে পারেন। কিন্তু সেবারও তাঁর ফ্রান্সকে নিয়ে করা ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যায়। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রেও তা শতভাগ সত্য হয়।

ক্লেমেন্ট বলেন, ‘টানা তিনবার ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যাওয়ায় মানুষ এখন ভাবছে মডেলটি অপরাজেয়। তবে বিশ্বকাপের সাফল্য আংশিকভাবে কিছু চেনা পদ্ধতিগত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যেমন- একটি দেশের জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, জলবায়ু এবং ফিফা বিশ্ব র‍্যাংকিং।’

নিজের করা ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতি অন্য কেউ যাতে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে সে বিষয়েও সতর্ক করেছেন ক্লেমেন্ট। কারণ এই উপাদানগুলো পুরো গল্পের কেবল একটা অংশ মাত্র। তাঁর মতে, বাকি ৫০ শতাংশই হলো ভাগ্য।

ক্লেমেন্টে বলেন, ‘প্রতিটি ম্যাচ- বিশেষ করে যখন সমান দক্ষতার দলগুলো একে অপরের মুখোমুখি হয়, তখন সবকিছু নির্ভর করে সেদিনের ফর্ম, রেফারির সিদ্ধান্ত, কিংবা বলটি পোস্টে লেগে ভেতরে ঢুকল নাকি বাইরে চলে গেল সেই ভাগ্যের ওপর। এই বিষয়গুলো কোনোভাবেই অনুমান করা যায় না।’

জার্মান এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বিশ্বকাপ ঘনিয়ে এলে এই মডেল তাঁকে দৈনন্দিন কাজের একঘেয়েমি থেকে মুক্তির আনন্দ দেয়। এবার যখন চারপাশে এত সংকট, যুদ্ধ ও নানা ঘটনা ঘটছে, তখন তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী পাঠকদেরও ভালো রাখবে বলে মনে করেন তিনি। পাশাপাশি বিশ্বের সব নেতিবাচক বিষয় থেকে এটি মানুষের মনকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেবে।

আরও পড়ুন

×