ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

হালান্ডকে নিয়ে নরওয়ের স্বপ্ন

হালান্ডকে নিয়ে নরওয়ের স্বপ্ন
×

আর্লিং হালান্ড। ছবি: সংগৃহীত

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ১৬:৩৯

এখনও সেই দিনটির কথা মনে পড়ে স্টলে সোলবাকেনের। ২৩ জুন, ১৯৯৮– ফ্রান্সের মার্শেইয়ে তখনকার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে হারিয়ে দিয়েছিল নরওয়ে। সেই দলের সেদিনের খেলোয়াড়ই এখন নরওয়ের কোচ। খেলোয়াড় ও কোচ হয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা ভাগ্যবানদের একজন তিনি। অপেক্ষা করছেন ২৮ বছর পর ফের বিশ্বকাপে পা রাখা নরওয়েকে বিশ্বের সামনে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে।

‘১৯৯৮ সালে আমি খেলেছিলাম, তার পর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপে ঘরে বসে থাকা সবার জন্যই কষ্টকর ছিল। এবার যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হওয়ার পর মাইনাস ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেও ৫০ হাজার মানুষ আমাদের অভ্যর্থনা জানাতে এসেছিল। এটিই সব বলে দেয়। তারা এতদিন ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিল, আর এখন সেটা এসেছে। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ইতালিকে ৩-০ গোলে হারানোর পর সবাই বলছিল, ‘এবার অবশেষে আমরা পারব।’

এবারও চমক দেখাতে পারে তার দল। ফ্রান্স, সেনেগাল, ইরাক– নরওয়ের কাছে এটা ‘গ্রুপ অব ডেথ’-এর মতোই। তবে যে দলে আর্লিং হালান্ড রযেছেন, আলেকজান্ডার সরলথের মতো ফরোয়ার্ড রয়েছেন, সেই দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন তাদের কোচ।

ম্যানচেস্টার সিটির সুপারস্টার হালান্ড বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দেশের হয়ে দারুণ পারফর্ম করে যুক্তরাষ্ট্রে পা রেখেছেন। ইউরোপের বাছাই পর্বে মোট ১৬ গোল করে রেকর্ড গড়েছিলেন। যেখানে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন, নেদারল্যান্ডসের ডিপাই আটটি করে গোল করেছিলেন। হালান্ডকে নিয়ে তাই অনেক বড় আশা নরওয়ের কোচ সোলবাকেনের। ‘হালান্ডকে কোচিং করানো খুবই সহজ। সে দলের সেরাটা দিতে চায় সব সময়। সতীর্থদের সঙ্গে থাকতে ভালোবাসে এবং দলের স্টাফদের সঙ্গে আনন্দে সময় কাটাতে পছন্দ করে। সে খুব সহজ-সরল একজন সুপারস্টার।’

অনেকেই এই বিশ্বকাপে নরওয়েকে ডার্ক হর্স বলে মনে করছেন। তাতে আপত্তি নেই কোচেরও। ‘অনেক বছর পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে গেলে প্রত্যাশা নিয়ে খুব বেশি ভাবা উচিত নয়; বরং সেগুলোকে সঙ্গে নিয়ে খেলতে হবে এবং বাছাইপর্বের মতোই খেলতে হবে। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’

আরও পড়ুন

×