ঢাকা বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

ইতালিতে ঝুঁকছেন ইংলিশরা

ইতালিতে ঝুঁকছেন ইংলিশরা
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ | ১৫:০১

প্রথমে জন স্টোন্স, এরপর ডিজেড স্পেন্স এবং এখন কার্টিস জোন্স– তিন ইংলিশ ফুটবলারেরই গন্তব্য ইতালি। আরও সুনির্দিষ্ট করে বললে, চলমান গ্রীষ্মকালীন দলবদলে তিন ইংলিশ ফুটবলারই ইন্টার মিলানে নাম লিখিয়েছেন। ইতালি যে এখনও ফুটবলারদের আকর্ষণীয় গন্তব্য, প্রিমিয়ার লিগের তিন ফুটবলার যেন সেটিই প্রমাণ করেছেন।

ব্রিটিশ ফুটবলারদের একটি পুরোনো দুর্নাম আছে। তারা নাকি ব্রিটেনের বাইরে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারেন না, বিশেষ করে ইতালির আবহাওয়া ও জীবনযাত্রার সঙ্গে তাদের নাকি একেবারেই মেলে না। যে কারণে লা লিগা ও বুন্দেসলিগায় ব্রিটিশ ফুটবলারদের দেখা গেলেও সিরি ‘এ’-তে সে সংখ্যাটা খুবই সীমিত। এর মধ্যে অবশ্যই ওয়েলসের জন চার্লসের কথা বলতে হবে। কিংবদন্তি ব্রিটিশ স্ট্রাইকার ইয়ান রাশের একসময়ের সতীর্থ জন চার্লস জুভেন্তাস কিংবদন্তি হিসেবে সম্মান পান। আরেক ব্রিটিশ ফুটবলার পল ইন্স ইন্টার মিলানে কাটানো দুই মৌসুমকে তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা সময়ের মর্যাদা দিয়েছেন। তাদের অনেক পরে ম্যানসিটির সাবেক ডিফেন্ডার মিচ রিচার্ডস নাম লিখিয়েছিলেন সিরি ‘এ’ তে।

ফিওরেন্টিনার সাবেক এ তারকা স্কাই স্পোর্টসে বলেছেন, দীর্ঘ দিন ইংলিশ ফুটবলাররা দেশের বাইরে যেতেই চাইতেন না। তবে এখন এ অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আকর্ষণীয় প্রস্তাব পেলে অনেকেই বাইরে পাড়ি জমাচ্ছেন। ভালো প্রস্তাবের কারণেই চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে জন স্টোন্স, ডিজেড স্পেন্স ও কার্টিস জোন্স যোগ দিয়েছেন ইন্টার মিলানে। 

মজার বিষয় হলো, ইন্টারের ১১৮ বছরের ইতিহাসে এতজন ব্রিটিশ ফুটবলারকে দলে ভেড়াননি তারা। তবে তিন ইংলিশ ফুটবলারের ইন্টারে যোগ দেওয়ার আলাদা কারণ রয়েছে। এই যেমন ম্যানচেস্টার সিটিতে ক্যারিয়ারের প্রায় পুরোটা কাটিয়ে দেওয়া জন স্টোন্সের বয়স আগামী মে মাসে ৩২ হবে। সিটির সঙ্গে চুক্তিও শেষ প্রায়। ক্যারিয়ারের এই পড়ন্ত বেলায় এসে ভালো প্রস্তাব পেয়ে দেশের বাইরে যেতে খুব বেশি ভাবেননি তিনি। তারকা এ সেন্টার-ব্যাক ইতালিতে যাওয়া নিয়ে বলেন, ‘আমি সব সময়ই নতুন অভিজ্ঞতা নিতে চাইতাম। যখনই সুযোগটা এলো সেটি লুফে নিতে আমি মোটেও দ্বিধায় ভুগিনি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি। আমার মনে হয়, এই অভিজ্ঞতার জন্য ইতালির চেয়ে ভালো জায়গা আর হয় না।’

এসি মিলানের ইংলিশ ডিফেন্ডার ফিকায়ো তোমোরি এর পেছনে অবশ্য অন্য একটা কারণ দেখছেন, ‘ইংল্যান্ডে প্রতিযোগিতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। তবে ডিফেন্ডারদের চ্যালেঞ্জটা একটু বেশি। মাঠে নামার আগে মানসিক প্রস্তুতিটাও আলাদাভাবে নিতে হয়। কারণ, বাইরের চাপ থাকে, ডিফেন্ডারদের ওপর অনেক প্রত্যাশা থাকে।’ ইতালিতে যাওয়া ব্রিটিশদের অধিকাংশই ডিফেন্ডার। কার্টিস জোন্স ও স্কট ম্যাকটোমিনে মিডফিল্ডার। 

আরও পড়ুন

×