ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

জাতিসংঘে দেশি উদ্যোগ

রিটেইল কমার্স

জাতিসংঘে দেশি উদ্যোগ
×

­ আইসিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬ | ০৭:৩৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

জাতিসংঘের সদরদপ্তরে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করেছে দেশের বিটুবি রিটেইল-টেক প্ল্যাটফর্ম প্রিয়শপ। নিউইয়র্কে চলতি বছরে জাতিসংঘের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন (এসটিসি) ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন প্রিয়শপের প্রতিষ্ঠাতা আশিকুল আলম খান। এ ছাড়া রাষ্ট্রদূত, জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা, মাইক্রোসফটের শীর্ষ নেতারা, ডিজিটাল
কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন ও বিশ্বের অনেক উদ্যোক্তা এতে অংশ নেন। বিশ্বজুড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ের সাপ্লাই চেইন বা পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট দূর করার তাগিদ নিয়ে এই ফোরামে বিশদ আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধিত ভোক্তাবাজার। সারাদেশের ৫০ লাখের বেশি ক্ষুদ্র খুচরা বিক্রেতা বা মুদি দোকানি প্রতিদিন নিত্যপণ্যের চাহিদা পূরণ করছেন; সমৃদ্ধ করছেন দেশের অর্থনীতি। কিন্তু তারা সব সময় সীমিত পুঁজি, অগোছালো সাপ্লাই চেইন, ঋণের অভাব ও বিশৃঙ্খল ব্যবসা কাঠামোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন। সারাদেশে এখন দুই লাখের বেশি মুদি দোকানিকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) পাঁচটি মূল সূচকের মাধ্যমে সেবাভুক্ত করেছে প্রিয়শপ। সহজ ঋণ সুবিধা, সরাসরি ব্র্যান্ড থেকে পণ্য কেনা, লজিস্টিকস অবকাঠামো, রিটেইল ইন্টেলিজেন্স, ডিজিটাল কমার্স টুলস ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজিএস) পূরণে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। প্রিয়শপের পাঁচটি সূচকই পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, যা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছায়। সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা সার্বিকভাবে পাঁচ হাজার ৪৯০ টন কার্বন কমিয়েছে।

এমন উদ্যোগ পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে, দূষণ কমাচ্ছে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে সহায়তা করছে।
জাতিসংঘে প্রতিনিধিত্ব করা আশিকুল আলম খান বলেন, আমরা বাংলাদেশ থেকে যে সমস্যার সমাধান শুরু করেছিলাম, তা আজ বিশ্বের যে কোনো অগ্রগামী দেশ ও তাদের বাজারের জন্য
অনুকরণীয় মডেলের মর্যাদা পেয়েছে। 
পুঁজি, পণ্য সরবরাহ বা আধুনিক অবকাঠামোর অভাবে কোনো দোকানিই যেন পিছিয়ে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
চলতি বছরে জাতিসংঘের এসটিআই ফোরামের মঞ্চে অংশ নেওয়া শুধু উপস্থিতি নয়; বরং বিশ্ব উদ্ভাবনের মানচিত্রে বাংলাদেশের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা।
 

আরও পড়ুন

×