স্মার্ট টিভিতে দুর্বল ইন্টারনেটের কারণ
আইসিটি ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৭:৩৬
| প্রিন্ট সংস্করণ
বাসাবাড়িতে ওয়াই-ফাই অনেক কারণে সমস্যা করে। অনেক চেষ্টা করেও বড়পর্দায় ঠিকমতো কনটেন্ট দেখতে পারেন না বা ইউটিউবের ভিডিওর চাকা শুধু ঘুরছেই। যদি এমন হয়, তাহলে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা জরুরি। গ্যাজেট গবেষকরা বলছেন, পুরোনো দেয়াল বা দরজা অনেক ক্ষেত্রে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে বাধা তৈরি করে। এ তথ্য পুরোপুরি সত্যি নয়; বরং বাড়িতে আরও কিছু জিনিস আছে, যা ওয়াই-ফাই ফ্রিকোয়েন্সির গতিরোধ করে। ঘরের মধ্যে থাকা অনেক কিছুই ওয়াই-ফাইয়ের জন্য বাধার কারণ। আয়না বা যে কোনো ধাতব পদার্থ সবচেয়ে বেশি বাধা দেয় এই ফ্রিকোয়েন্সিতে। আয়নার যে অংশ প্রতিফলিত হয়, সেই অংশে ওয়াইফাই বাধা পেয়ে বাউন্স করে। ফলে গতি ধীর হয়ে পড়ে।
জানা যায়, ধাতব যে কোনো পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী। বাসায় থাকা অনেক ধাতব পদার্থ ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ওয়েভ রিফ্লেক্টের কারণ হয়।
এই রকমের ধাতব পদার্থ ওয়াই-ফাই সিগন্যালকে অনেকাংশে বাধা দেয়।
এতে গতি অনেকটা কমে যায়। তাই ওয়াই-ফাই রাউটার ঠিক যে স্থানে রয়েছে, সেখানে যেন কোনোভাবেই আয়না না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। রাউটারের আশপাশে কোনো ধাতব পদার্থ না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাউটারের কাছে ব্লু-টুথ ডিভাইস না রাখা ভালো। অনেক সময়েই ল্যাপটপ, পিসি, স্পিকার, কিবো– এমন ধরনের ডিভাইস থেকে রাউটার দূরে রাখতে বলা হয়েছে।
অনেকের ধারণা, এতে ইন্টারনেটের গতি তুলনামূলক ভালো পাওয়া যায়। ধারণাটি ঠিক নয়; বরং এটির কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে।
অনেকেই হয়তো জানেন না, ওয়াই-ফাই ও ব্লু-টুথ একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে।
তাই একে অন্যের কাজে বাধা তৈরি করে। যেন চলে ফ্রিকোয়েন্সির লড়াই। ফলে কমে যায় ইন্টারনেটের গতিবিধি। সমস্যা দূর করতে প্রয়োজনে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল ক্ষমতা বাড়িয়ে নেওয়া যায়।
রাউটারে সিগন্যাল বাড়ানোর অপশন থাকলে অবশ্যই তা বাড়িয়ে নেওয়া শ্রেয়।
বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন
এতে ইন্টারনেটের ফ্রিকোয়েন্সির সামর্থ্য বাড়বে। স্বাভাবিকভাবে ওয়াই-ফাই গতি বেড়ে যাবে।
কিন্তু এ কাজে গুনতে হবে বাড়তি সংযোগ ব্যয়। রাউটারে ইন্টারনেটের গতি ঠিকঠাক পেতে
বাসায় রাউটারের চারপাশে যে কোনো ধরনের
ব্লু-টুথ ডিভাইস না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞরা।
- বিষয় :
- প্রযুক্তি