ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বর্ষবরণ

রমনার বটমূলে বর্ষবরণ এবং সংস্কৃতি, প্রতিরোধ ও আত্মপরিচয়

ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সাধারণত সূর্যোদয়ের সঙ্গে শুরু হয়—এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন রাতের অন্ধকার ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় এবং আলো নতুন দিনের সম্ভাবনা নিয়ে এসে দাঁড়ায়। রমনা বটমূলের প্রভাতে, প্রথম সূর্যকিরণ যখন বটগাছের পাতায় ঝিলমিল করে ওঠে, তখনই শুরু হয় সংগীতের এক অপার্থিব পরিবেশনা, যা শুধু শোনা যায় না—অনুভব করা যায়। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সম্মিলিত কণ্ঠে এসো হে বৈশাখ—যার স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই গান যেন এক সাংস্কৃতিক আহ্বান—পুরোনো ক্লান্তি, জড়তা ও অশুভকে ঝেড়ে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবনকে গ্রহণ করার প্রতিজ্ঞা। এর সুরে থাকে শুদ্ধতা, কথায় থাকে পুনর্জাগরণের বাণী। এরপর পর্যায়ক্রমে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, লোকসংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য। প্রতিটি পরিবেশনা যেন এক একটি অনুভবের দরজা—কখনো প্রকৃতির রূপ, কখনো প্রেমের গভীরতা, কখনো মানবতার আবেদন, আবার কখনো প্রতিবাদ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়। এই পুরো আয়োজনটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম নান্দনিকতায় বিন্যস্ত—যেখানে প্রতিটি সুর, শব্দ ও ভঙ্গিমা একে অপরের সঙ্গে সংলাপে যুক্ত হয়ে তৈরি করে এক সমন্বিত সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা, যা প্রভাতকে রূপ দেয় এ

আপডেটঃ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫:৫৫
রমনার বটমূলে বর্ষবরণ এবং সংস্কৃতি, প্রতিরোধ ও আত্মপরিচয়

নববর্ষের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের গভীর সম্পর্ক

পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন, বাঙালির প্রাণের উৎসব-বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ আজ শুধু একটি উৎসব নয় বরং বাঙালির ঐক্য, সংস্কৃতি ও নবজাগরণের প্রতীক। এই দিনটি আমাদের অতীতকে স্মরণ করিয়ে দেয়, বর্তমানকে উদ্‌যাপন করতে শেখায় এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখায়। শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাসহ বিশ্বজুড়ে বসবাসকারী বাঙালিরা পহেলা বৈশাখে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেন। ফলে পহেলা বৈশাখ কেবল একটি তারিখ নয়; এটি বাঙালির সর্বজনীন লোকউৎসব, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।

আপডেটঃ ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | ১৮:২৭
নববর্ষের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের গভীর সম্পর্ক

সর্বশেষ