ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সড়কে মৃত্যু

সড়কে মৃত্যুমিছিল থামবে কবে

রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে প্রত্যেক অংশীজনেরই দায় থাকে সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা। নিরাপদ সড়কের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি, কেননা যানবাহন মালিক কিংবা শ্রমিক উভয় ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক প্রভাব প্রকটরূপে দৃশ্যমান। রাজনৈতিক প্রভাবেই তুলনামূলক কঠোর সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ পাস হলেও তা থেকে বিধি প্রণয়নে সময় নেয় চার বছর। যখন কারণগুলো চিহ্নিত হওয়ার পরও ত্বরিত এবং ফলপ্রসূ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তখন সরকারি উদাসীনতা এমন হত্যাযজ্ঞের সহায়তাকারী বা সহযোগী হিসেবে কাজ করে। যে কোনো হত্যা প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় বাধ্যবাধকতা না মানা, উদ্দেশ্যমূলক অবজ্ঞা বা ‘ইচ্ছাকৃত অন্ধত্ব’ উপাদানগুলো বাংলাদেশের সড়ক বা নৌ নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত সব সরকারি-বেসরকারি অংশীজনকে দায়বদ্ধ করে। যানবাহনের কাঠামো, চালক প্রশিক্ষণ, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ দর্শন, ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তার পরিকল্পনা, মেরামতের অভাব, সর্বোপরি ট্রাফিক আইন বা নিয়ম না জানা বা মানা এবং জানানোর চেষ্টা না করার নিষ্ক্রিয়তা সড়ক ও নৌপথের তথাকথিত ‘দুর্ঘটনা’-কে এতটাই অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে, যা এখন ‘কাঠামোগত গণহত্যা’য় পরিণত হয়েছে। এগুলো এখন আর দুর্ঘটনা নয়, তা পরিকল্পিত হত্

আপডেটঃ ১২ মে ২০২৬ | ১৯:৫৩
সড়কে মৃত্যুমিছিল থামবে কবে

সর্বশেষ