ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে প্রেমিকাকে নিতে এসে ভুয়া পুলিশসহ আটক ২

গোবিন্দগঞ্জে প্রেমিকাকে নিতে এসে ভুয়া পুলিশসহ আটক ২
×

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ০৯:০৭

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে প্রেমিকাকে নিতে এসে শহিদুল ইসলাম নামে এক ভুয়া পুলিশ সদস্যসহ দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে পৌর শহরের মায়ামণি মোড় থেকে তাদের আটক করা হয়।

উপজেলার রাখালবুরুজ ইউনিয়নের হরিনাথপুর বিষপুকুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের বামনহাজরা গ্রামের এক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এ সময় সে তার প্রথম স্ত্রীকে ভাবি সাজিয়ে বিয়ের আলোচনায় বসায়। 

আলোচনার এক পর্যায়ে শহিদুল জানায়, তার বাবা বিদেশে থাকে। মায়ের ঠিক করা মেয়ে তার পছন্দের নয়। সে নিজের পছন্দে বিয়ে করবে। আলোচনা শেষে উভয় পক্ষের সমঝোতায় গত বছরের ২ জুলাই ওই মেয়ের সঙ্গে শহিদুলের বিয়ে হয়। শহিদুল শ্বশুরকে বিয়ের কথা কিছুদিন গোপন রাখতে বলে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে যায়। দুই সপ্তাহ পর আরও এক লাখ ৫০ হাজার টাকা শ্বশুরের কাছ থেকে নেয়। এর কিছুদিন পর থেকে শহিদুল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। শহিদুলকে খুঁজতে তার বাড়ি গেলে জানা যায়, সে ভুল ঠিকানা দিয়েছে। এ ছাড়া সে পুলিশ সদস্যও নয়। শহিদুলের প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রতারণার শিকার মেয়েটির ছোট বোন পরিচয় গোপন করে শহিদুলকে মোবাইলে প্রেম নিবেদন করে। প্রেমে সাড়া দিয়ে শহিদুল মেয়েটিকে বিয়েতে সম্মতি জানিয়ে ২৫ জানুয়ারি গোবিন্দগঞ্জের মায়ামণি মোড়ে আসতে বলে। থানায় খবর দিয়ে নির্ধারিত সময়ে মায়ামণির মোড়ে উপস্থিত হয় সে। শহিদুল তার প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া মাত্র ওত পেতে থাকা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা ওসি একেএম মেহেদী হাসান বলেন, শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কখনও পুলিশ বা আর্মি পরিচয়ে একাধিক বিয়ে করে। এসব ঘটনায় তার প্রথম স্ত্রী শিরিন সহযোগিতা করে থাকে। উল্লিখিত ঘটনায় শহিদুল ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

×