বন্দরে কোকেন চোরাচালান মামলায় সাক্ষ্য দিলেন কাস্টমস-বন্দর কর্মকর্তা
ছবি: ফাইল
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ০৭:২৭ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ০৭:৩৯
চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন চোরাচালান ও মাদকের মামলায় কাস্টমস ও বন্দর কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। সোমবার চট্টগ্রাম চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এ সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৫ অক্টোবর ধার্য করেছেন আদালত।
চট্টগ্রাম মহানগর পিপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফখরুদ্দিন চৌধুরী সমকালকে বলেন, বন্দরে কোকেন চোরাচালান ও মাদকের মামলায় তৎকালীন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার ও বর্তমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উপকমিশনার মুকিতুল হাসান সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি দু’টি জব্ধ তালিকার সাক্ষী। অন্যজন হলেন তৎকালীন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টার্মিনাল অফিসার ও বর্তমান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী টার্মিনাল ম্যানেজার রাজীব চৌধুরী। মাদক মামলায় সর্বমোট ২৮ জন এবং চোরাচালান মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও তার ভাই মোস্তাক আহম্মদ, কসকো-বাংলাদেশ শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক এ কে এম আজাদ, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদী আলম, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল, প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল, পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, লন্ডনপ্রবাসী চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ফজলুর রহমান ও মৌলভীবাজারের বকুল মিয়া।
এর আগে ২০১৫ সালের ৭ জুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার আটকের পর সিলগালা করে দেয় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। পরে আদালতের নির্দেশে কনটেইনার খুলে ১০৭টি ড্রাম থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ঢাকার বিসিএসআইআর ও বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষায় এতে তরল কোকেনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে।
এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৭ জুন বন্দর থানায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ ও তার ভাই গোলাম মোস্তফা সোহেলকে আসামি করে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম
- মাদক মামলা
- কাস্টমস কর্মকর্তা
