বে-টার্মিনাল: ৮০৩ একর জমি ১ টাকায় কিনতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দ্বারস্থ চট্টগ্রাম বন্দর
ছবি-সংগৃহীত
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১৩:৪১ | আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১৩:৪১
চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে দরকার বে-টার্মিনাল। আর এই টার্মিনাল করতে দরকার ৮০৩ একর জমি। আবার এই জমি কিনতে দরকার ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণের এই টাকার ভার বহন করতে রাজি নয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। তাই তারা দ্বারস্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের। এক টাকার প্রতীকী মূল্যে জমি কিনতে আবেদন করেছে তারা সর্বোচ্চ মহলে।
বুধবার বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এমনটি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান।
সভায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ, সিএমপি ট্রাফিকের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, বে-টার্মিনাল হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বেড়ে যাবে তিনগুণ। কমে যাবে পণ্য আমদানি-রপ্তানির খরচও। পতেঙ্গায় বঙ্গোপসাগর উপকূলে বিকল্প বন্দর বে-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় বন্দর চেয়ারম্যান জানান, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে টার্মিনাল নির্মাণের জন্য পরামর্শদাতা হিসেবে কোরিয়ান ডাইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড ও কোরিয়ান কুনহওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসাল্টিং কোম্পানি লিমিটেডকে যৌথভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সংস্থা দুটি ইতোমধ্যে তাদের সূচনা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করতে বিভিন্ন সংস্থার দেয়া যৌক্তিক সব প্রস্তাব একত্রিত করা হবে। মাস্টারপ্ল্যান ও নকশা চূড়ান্ত হওয়ার পর তারা উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বহুমুখী টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের কাজ শুরু করার ইচ্ছা আছে বন্দর কর্তৃপক্ষের। এক মাসের মধ্যে মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করে নকশা প্রস্তুত করার কথা জানান পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রধান পার্ক জং-জিন।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম বন্দর
- বে-টার্মিনাল
- চট্টগ্রাম
