তিতাসে যুবলীগ নেতা খুন
সালিশের কথা বলে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হাত-পা কর্তন
×
প্রতীকী ছবি
বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২২ | ১২:০০
পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু'পক্ষের বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হাত-পা কেটে দেওয়া হয়েছিল কুমিল্লার তিতাসের ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি জহির ইসলামের। পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
মঙ্গলবার উপজেলার মানিককান্দি গ্রামের সাইফুলের বাড়িতে জহিরুলের ওপর হামলা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। জহিরুলের সাত বছর বয়সী একটি ছেলে ও সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে।
নিহতের পিতা ভিটিকান্দি ইউনিয়নের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, মানিককান্দি গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে প্রবাসী হালিম মিয়া প্রায় ৩০ শতকের একটি পুকুর বিক্রি করতে চাইলে তিনি তা কিনতে রাজি হন। বিদেশ থেকে এসে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা বলে তিনি ১২ লাখ টাকা নেন। কিন্তু দেশে এসে হালিম টালবাহানা করতে থাকেন। এর পর ইউপি নির্বাচনে তিনি হেরে যাওয়ার পর একটি চক্রের ইন্ধনে হালিম তাঁর প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতা সাইফুলের কাছে পুকুরটি বিক্রি করে দেন।
তিনি এ নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু তাঁরা থানায় বৈঠকে যাননি বরং দলবল নিয়ে মঙ্গলবার পুকুরে মাছ ধরতে আসেন। তখন তাঁরা বাধা দেন এবং পুলিশকে জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে সালিশের কথা বলে তাঁর ছেলে জহিরুলকে একা ডেকে নিয়ে যায় সাইফুলের বাড়িতে। এ সময় অন্যরা জহিরুলের সঙ্গে যেতে চাইলেও পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। একটু পরই শোনেন, তাঁর ছেলের হাত-পা কেটে দিয়েছে সাইফুলের লোকজন।
আবুল মোল্লা বলেন, সাইফুল মেম্বারের বাড়িতে অনেক বহিরাগত ছিল। বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহমেদের নির্দেশে তাঁর ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। তবে চেয়ারম্যান বাবুল বলেন, তিনি সাইফুলের বাড়িতে যাওয়ার আগেই জহিরুলের ওপর হামলা হয়।
মঙ্গলবার উপজেলার মানিককান্দি গ্রামের সাইফুলের বাড়িতে জহিরুলের ওপর হামলা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। জহিরুলের সাত বছর বয়সী একটি ছেলে ও সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে।
নিহতের পিতা ভিটিকান্দি ইউনিয়নের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, মানিককান্দি গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে প্রবাসী হালিম মিয়া প্রায় ৩০ শতকের একটি পুকুর বিক্রি করতে চাইলে তিনি তা কিনতে রাজি হন। বিদেশ থেকে এসে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা বলে তিনি ১২ লাখ টাকা নেন। কিন্তু দেশে এসে হালিম টালবাহানা করতে থাকেন। এর পর ইউপি নির্বাচনে তিনি হেরে যাওয়ার পর একটি চক্রের ইন্ধনে হালিম তাঁর প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতা সাইফুলের কাছে পুকুরটি বিক্রি করে দেন।
তিনি এ নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু তাঁরা থানায় বৈঠকে যাননি বরং দলবল নিয়ে মঙ্গলবার পুকুরে মাছ ধরতে আসেন। তখন তাঁরা বাধা দেন এবং পুলিশকে জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে সালিশের কথা বলে তাঁর ছেলে জহিরুলকে একা ডেকে নিয়ে যায় সাইফুলের বাড়িতে। এ সময় অন্যরা জহিরুলের সঙ্গে যেতে চাইলেও পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। একটু পরই শোনেন, তাঁর ছেলের হাত-পা কেটে দিয়েছে সাইফুলের লোকজন।
আবুল মোল্লা বলেন, সাইফুল মেম্বারের বাড়িতে অনেক বহিরাগত ছিল। বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহমেদের নির্দেশে তাঁর ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। তবে চেয়ারম্যান বাবুল বলেন, তিনি সাইফুলের বাড়িতে যাওয়ার আগেই জহিরুলের ওপর হামলা হয়।
