ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগ, আটক চার

শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগ, আটক চার
×

প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৩ | ১১:০২ | আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৩ | ১১:০২

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় তৃতীয় শ্রেনি পড়ুয়া এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১১) দলবদ্ধ ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর শিশুটির মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ধোবাউড়া থানার ওসি টিপু সুলতান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, উপজেলার গামারীতলা ইউনিয়নের এক গ্রামের বাসিন্দা ওই মেয়েটিকে শনিবার সন্ধ্যা থেকে যাচ্ছিল না। শিশুটির বাবা স্থানীয় একটি বাজারে মাছ বিক্রি করেন। মেয়েকে না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা আশাপাশে খোঁজ শুরু করে। শনিবার রাত ৮টার দিকে বাড়ির কাছে নেতাই নদীতে পাওয়া যায় ছাত্রীটির মরদেহ। পরিবারের লোকজন পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের ধারণা ছিল, পানিতে ডুবে হয়তো মৃত্যু হতে পারে শিশুটির।

খবর পেয়ে রাত ১১ টার দিকে ধোবাউড়া থানা পুলিশের একটি দল মরদেহ সুরতহাল করতে গিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার আলামত পায়। পরে পুলিশ সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে রোববার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

শিশুটির মা জানান, শনিবার বিকেল পর্যন্ত বাড়িতে ছিল মেয়ে। সন্ধ্যায় না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করা হয়।  কিন্তু পাওয়া যায় নদীতে। মেয়ের সঙ্গে কারা পাশবিকতা চালিয়ে হত্যা করেছে বুঝতে পারছেন না বলেও জানান তিনি।

ধোবাউড়া থানার ওসি টিপু সুলতান জানান,মেয়েটির পরিবার ধারণা করেছিল, পানিতে ডুবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সুরতহালে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে দলবদ্ধ ধর্ষণ শেষে কান্নাকাটি করায় গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুটির বাড়ির আশপাশ থেকে চারজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের নাম প্রকাশ করতে চান নি তিনি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তকে সনাক্তে কাজ চলছে যোগ করেন ওসি।


আরও পড়ুন

×