কয়েদিরা তৈরি করছেন মাস্ক
×
আহমেদ কুতুব, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২০ | ১৩:১৯
সবাই সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি। কারও সাজা পাঁচ বছর, কারও ১০ বছর এবং কেউ যাবজ্জীবন সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত। দীর্ঘদিন তারা তৈরি করেছেন কারাগারে বন্দি থাকা কয়েদির পোশাক। কিন্তু এখন সেই কয়েদি ও হাজতিরা হাতে হাত মিলিয়ে দুই পায়ে চালিয়ে যাচ্ছেন সেলাই মেশিন। এবার তারা তৈরি করছেন করোনা মোকাবিলায় 'বিশেষ মাস্ক'। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে এখন ১০ জন কয়েদি তৈরি করছেন এই মাস্ক। প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩৫০ পিস মাস্ক তৈরি করছেন এই দলটি। পুরো বিষয়টি তদারকি করছেন কারাগারের টেইলার মাস্টার মো. শাহজাহান। তিনি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে সেলাই দফার প্রধান হিসেবে কাজ করছেন। তার নেতৃত্বে কারাগারে তৈরি হচ্ছে মাস্কগুলো, যা সাধারণ কয়েদি ও হাজতিদের মধ্যে স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগারে মাস্ক তৈরির কাজে নিয়োজিত কয়েদিরা হলেন রাখাল চন্দ্র, মো. খোকন, মো. মোক্তার, মো. আলম, মো. বাহাদুর, দুর্জয়, বেলাল হোসেন, মো. জহির ও নাজমুল।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন বলেন, 'করোনা মোকাবিলায় চট্টগ্রাম কারাগারে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগে কারাগারে যেসব বন্দি সেলাই দফায় কয়েদি পোশাক তৈরি করতেন, তারা এখন করোনা মোকাবিলায় বিশেষ মাস্ক তৈরি করছেন। সেই মাস্ক কারাগারে বন্দি থাকা সাধারণ কয়েদি ও হাজতিদের মধ্যে নামমাত্র মূল্যে কারা ক্যান্টিনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে। প্রাথমিকভাবে ১০ জন কয়েদি এ কাজ করলেও পর্যায়ক্রমে মাস্ক তৈরির কাজে কয়েদির সংখ্যা বাড়ানো হবে। কারাগারকে করোনামুক্ত রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা।'
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মাস্ক তৈরিতে কারাগার কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব তহবিল (ক্যান্টিন) থেকে কাপড় ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করছে কয়েদি টেইলারদের। একটি মাস্ক তৈরিতে খরচ হচ্ছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১০ জন কয়েদি মাস্ক তৈরির কাজ করছেন। তৈরি করা মাস্কগুলো কারা ক্যান্টিনে সরবরাহ করা হচ্ছে। কারাগারের চাহিদা শেষ হলে মাস্কগুলো কারা ক্যান্টিনের মাধ্যমে কারাগারে আসা দর্শনার্থীদের সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষের। করোনা মোকাবিলায় কারা কর্তৃপক্ষ মাস্ক তৈরির পাশাপাশি বন্দি কয়েদি ও হাজতিদের এবং তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতে আসা দর্শনার্থীদেরও সুরক্ষায় কাজ করছেন। দর্শনার্থীদের জন্য কারাগারের প্রবেশমুখে তিনটি বেসিন ও সাবান, দেখা-সাক্ষাৎ কক্ষের সামনে চারটি বেসিন ও সাবান এবং কারাগারের ভেতরে চারটি বেসিন ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছেন তারা।
এ ছাড়া করোনা মোকাবিলায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে কারাগারে আসা নতুন বন্দিদের শারীরিক তাপমাত্রাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এরপর নতুন বন্দিদের অন্য সাধারণ বন্দিদের থেকে পৃথক করে ১৪ দিন আলাদা ওয়ার্ডে বন্দি রাখা হচ্ছে। কারাগারে ভেতরে একটি ভবন খালি করা হয়েছে কোয়ারেন্টাইনের জন্য। এ ছাড়া কারা হাসপাতালে আইসোলেশনের জন্য ওয়ার্ড প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম কারাগারে সাত হাজার ৪৩৬ জন আসামি বন্দি রয়েছেন। তার মধ্যে পুরুষ ও মহিলা কয়েদি রয়েছেন ৮৭৯ জন। বিভিন্ন মামলায় কারাগারে বন্দি রয়েছেন ছয় হাজার ৫৫৭ জন হাজতি। এর মধ্যে মহিলা ওয়ার্ডে মায়ের সঙ্গে আছে অর্ধশত শিশুও।
সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন জানান, থার্মাল স্ক্যানারে পরীক্ষা ছাড়াও আসামিদের মধ্যে কেউ গত ১৪ দিনের ভেতর বিদেশ ভ্রমণ করেছিলেন কিনা, আসামির স্বজনদের মধ্যে কেউ বিদেশ ভ্রমণ করেছিলেন কিনা, এসব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। যদি কেউ ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে তাকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতিও আছে। সব আসামিকে হাত-মুখ ধোয়ার পর ওয়ার্ডে ঢোকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন বলেন, 'করোনা মোকাবিলায় চট্টগ্রাম কারাগারে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগে কারাগারে যেসব বন্দি সেলাই দফায় কয়েদি পোশাক তৈরি করতেন, তারা এখন করোনা মোকাবিলায় বিশেষ মাস্ক তৈরি করছেন। সেই মাস্ক কারাগারে বন্দি থাকা সাধারণ কয়েদি ও হাজতিদের মধ্যে নামমাত্র মূল্যে কারা ক্যান্টিনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হবে। প্রাথমিকভাবে ১০ জন কয়েদি এ কাজ করলেও পর্যায়ক্রমে মাস্ক তৈরির কাজে কয়েদির সংখ্যা বাড়ানো হবে। কারাগারকে করোনামুক্ত রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা।'
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, মাস্ক তৈরিতে কারাগার কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব তহবিল (ক্যান্টিন) থেকে কাপড় ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করছে কয়েদি টেইলারদের। একটি মাস্ক তৈরিতে খরচ হচ্ছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১০ জন কয়েদি মাস্ক তৈরির কাজ করছেন। তৈরি করা মাস্কগুলো কারা ক্যান্টিনে সরবরাহ করা হচ্ছে। কারাগারের চাহিদা শেষ হলে মাস্কগুলো কারা ক্যান্টিনের মাধ্যমে কারাগারে আসা দর্শনার্থীদের সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষের। করোনা মোকাবিলায় কারা কর্তৃপক্ষ মাস্ক তৈরির পাশাপাশি বন্দি কয়েদি ও হাজতিদের এবং তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতে আসা দর্শনার্থীদেরও সুরক্ষায় কাজ করছেন। দর্শনার্থীদের জন্য কারাগারের প্রবেশমুখে তিনটি বেসিন ও সাবান, দেখা-সাক্ষাৎ কক্ষের সামনে চারটি বেসিন ও সাবান এবং কারাগারের ভেতরে চারটি বেসিন ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছেন তারা।
এ ছাড়া করোনা মোকাবিলায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে কারাগারে আসা নতুন বন্দিদের শারীরিক তাপমাত্রাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এরপর নতুন বন্দিদের অন্য সাধারণ বন্দিদের থেকে পৃথক করে ১৪ দিন আলাদা ওয়ার্ডে বন্দি রাখা হচ্ছে। কারাগারে ভেতরে একটি ভবন খালি করা হয়েছে কোয়ারেন্টাইনের জন্য। এ ছাড়া কারা হাসপাতালে আইসোলেশনের জন্য ওয়ার্ড প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম কারাগারে সাত হাজার ৪৩৬ জন আসামি বন্দি রয়েছেন। তার মধ্যে পুরুষ ও মহিলা কয়েদি রয়েছেন ৮৭৯ জন। বিভিন্ন মামলায় কারাগারে বন্দি রয়েছেন ছয় হাজার ৫৫৭ জন হাজতি। এর মধ্যে মহিলা ওয়ার্ডে মায়ের সঙ্গে আছে অর্ধশত শিশুও।
সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন জানান, থার্মাল স্ক্যানারে পরীক্ষা ছাড়াও আসামিদের মধ্যে কেউ গত ১৪ দিনের ভেতর বিদেশ ভ্রমণ করেছিলেন কিনা, আসামির স্বজনদের মধ্যে কেউ বিদেশ ভ্রমণ করেছিলেন কিনা, এসব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। যদি কেউ ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে তাকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতিও আছে। সব আসামিকে হাত-মুখ ধোয়ার পর ওয়ার্ডে ঢোকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- বিষয় :
- মাস্ক
